
অভিযানেও চলছে অবৈধ চিকিৎসাকেন্দ্র


অভিযানের মধ্যেও প্রশাসনের নজর এড়িয়ে চলছে অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার। বিভাগীয় শহরের বাইরে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এসব বিষয়ে তেমন কিছুই জানে না, তাদের কাছে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঠ পর্যায়ে নজরদারি না থাকায় এই অরাজকতা চলছে।
অনেকদিন ধরে বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে শৃঙ্খলায় আনার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসাবে ২৫ মে সারা দেশের অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ধারাবাহিকতায় ১৫ জুন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৪১টি অবৈধ চিকিৎসাকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফের রমরমা ব্যবসায় মেতে উঠছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১ ও ২ জুন রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলার বাঘা উপজেলার সর্বাধিক ১১টি অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ ঘোষণা করে সিভিল সার্জন অফিস। তবে স্থানীয়রা শনিবার বিকালে যুগান্তরকে জানিয়েছেন, এসব ক্লিনিকের বেশ কয়েকটি আগের মতোই চলছে। সিভিল সার্জন অফিস আর খোঁজ নেয়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, বাঘায় অন্তত ১১টি অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় গেল ৫ বছরেও অধিকাংশ ক্লিনিক সরকারি নিবন্ধন পায়নি। ফলে ১ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বাঘা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মঞ্জু ডিজিটাল সেন্টার, মাহমুদ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মাহমুদ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিক, উপশম মেডিকেল সেন্টার, হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক, আইডিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাদিয়া ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফারিহা খেয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, খেয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল-মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেয়। তবে শনিবারও এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের সেবা দিতে দেখা যায়।


সূত্র: যুগান্তর
H/N







