
হাজীগঞ্জ ৯নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মনোরম পরিবেশে যাত্রা শুরু ‘বটঘর টি হাউজ


চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৯নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পালিশারা পূর্বপাড়া বটতলা এলাকায় নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে ‘বটঘর টি হাউজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। ব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে বন্ধু-বান্ধব ও প্রিয়জনদের সঙ্গে কিছুটা স্বস্তির সময় কাটানোর পাশাপাশি মুখরোচক খাবারের স্বাদ নিতে এখানে তৈরি করা হয়েছে মনোরম পরিবেশ।
স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা এ প্রতিষ্ঠানটি শুধু খাবারের আয়োজন নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগ, বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডা ও অবসর কাটানোর একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রকমারি খাবারে থাকছে নানা আয়োজন,‘বটঘর টি হাউজে’ আগত গ্রাহকদের জন্য রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের খাবার ও পানীয়। এর মধ্যে রয়েছে চা, কফি, মালাই চা, ফুচকা, চটপটি ও হালিম। পাশাপাশি শীত মৌসুমকে সামনে রেখে থাকছে হাঁসের কালাভুনা ও বিভিন্ন ধরনের বাহারি পিঠার আয়োজন।


পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিচিতজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে এবং পছন্দের খাবার উপভোগ করতে স্থানীয়দের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা।
প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা হলেন—সোহেল, ইউনুস, তুহিন, সুমন, আহাদ, ইকবাল, ফারুক, এরফান, সিয়াম, হৃদয় ও শুভ।
তরুণদের সম্মিলিত উদ্যোগে এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। নিজেদের উদ্যোগে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জন্য সুন্দর পরিবেশে সময় কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি করাও তাঁদের প্রচেষ্টার অংশ।
বর্তমানে তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ বাড়ছে। এ ধরনের সম্মিলিত উদ্যোগ নতুনদের ব্যবসায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
পালিশারা পূর্বপাড়া বটতলা এলাকায় অবস্থিত ‘বটঘর টি হাউজ’ স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে নতুন একটি আড্ডার ঠিকানা হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে চা-কফির আড্ডা, মুখরোচক খাবার এবং শীতের পিঠাপুলির আয়োজন প্রতিষ্ঠানটিকে ভিন্ন মাত্রা দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, নতুন উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা ‘বটঘর টি হাউজ’ পালিশারা এলাকার মানুষের জন্য খাবার ও অবসর কাটানোর একটি সুন্দর স্থান হিসেবে এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

























