
জেলা পর্যায়ে কুরআন প্রতিযোগিতায় নবম স্থান অর্জন , আব্দুল্লাহ আল মাহীদকে নিয়ে সুবিদপুর দারুল কুরআন মাদরাসায় আনন্দ র্যালি


হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, চাঁদপুর জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত কোরআন প্রতিযোগিতায় ৫ পারা গ্রুপে নবম স্থান অর্জন করেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর দারুল কুরআন ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহীদ। তার এ কৃতিত্বে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
এ উপলক্ষে মাদরাসার পক্ষ থেকে আব্দুল্লাহ আল মাহীদকে সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। একই সঙ্গে তার অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে একটি আনন্দ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষার্থীর এ সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
মাদরাসার সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, কোরআন প্রতিযোগিতায় আব্দুল্লাহ আল মাহীদ যে সাফল্য অর্জন করেছে, তা মাদরাসার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। তার এ অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদেরও কোরআন শিক্ষা ও হিফজের প্রতি আরও উৎসাহিত করবে। ভবিষ্যতে সে আরও বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।


সহ-সভাপতি রিয়াদ পাটোয়ারী বলেন, একজন শিক্ষার্থীর এমন অর্জন শুধু তার নিজের নয়, এটি তার পরিবার, শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানেরও গর্ব। আব্দুল্লাহ আল মাহীদকে নিয়মিত অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার সঙ্গে কোরআন শিক্ষার চর্চা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মাদরাসার সেক্রেটারি মো. শাহাদাত মোল্লা বলেন, কোরআন প্রতিযোগিতায় নবম স্থান অর্জন করা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় সাফল্য। এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আব্দুল্লাহ আল মাহীদসহ মাদরাসার সকল শিক্ষার্থীর সফলতা কামনা করেন।
জয়েন্ট সেক্রেটারি শাহাদাত খান বলেন, আব্দুল্লাহ আল মাহীদের এই সাফল্যে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। তার এই অর্জন মাদরাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতে সে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কোষাধ্যক্ষ মানিক পাটোয়ারী বলেন, কোরআনের আলোয় শিক্ষার্থীদের আলোকিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। আব্দুল্লাহ আল মাহীদের সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক দিকনির্দেশনা ও পরিশ্রম থাকলে শিক্ষার্থীরা ভালো কিছু করতে পারে।
মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ ক্বারী দিদারুল ইসলাম বলেন, আব্দুল্লাহ আল মাহীদ অত্যন্ত মনোযোগী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। কোরআন প্রতিযোগিতায় তার এই সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তার জন্য শিক্ষক, অভিভাবক ও মাদরাসার পক্ষ থেকে দোয়া ও শুভকামনা রইল। ভবিষ্যতে সে আরও বড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সুনাম বয়ে আনবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের কোরআন শিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং তাদের প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে। আব্দুল্লাহ আল মাহীদের এই অর্জন মাদরাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও কোরআন শিক্ষা ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।



























