
ঢাকার মাটি ছুঁয়েছে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান


অবশেষে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঢাকায় পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। স্ত্রী ও কন্যাসহ তাঁকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে সকাল ১০টার কিছুক্ষণ আগে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে কিছুক্ষণ যাত্রবিরতি শেষে বেলা ১১টা ৪ মিনিটে সিলেট বিমানবন্দর ত্যাগ করে তাদের বহনকারী ফ্লাইট।
তারেক রহমান বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করে নিজের ফেরিভায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন তিনি। পোস্টে লেখেন, ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে।’


পরে সিলেটে পৌঁছে আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘অবশেষে সিলেটে, বাংলাদেশের মাটিতে!’
তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ঢাকা বিমানবন্দরে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা। মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি। সকাল বিমানবন্দরে পৌঁছেছে বুলেটপ্রুফ গাড়ি। এ গাড়িতে করে বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে তিনি যাবেন পূর্বচল ৩০০ ফিটের সংর্বধনা অনুষ্ঠানে। এরপর মাকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তিনি। পরে ফিরবেন গুলশানের বাসায়।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ১২টা ১৭ মিনিটে (প্রথম প্রহরে) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা করে বিমানটি। তারেক রহমানের সাথে একই বিমানে দেশে ফিরছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তারা আসছেন বিজি ২০২ ফ্লাইটে।
বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, বিমানবন্দরে নেমে ভিআইপি লাউঞ্জ রজনীগন্ধায় অবস্থান শেষে তারেক রহমান সড়কপথে কুড়িল হয়ে ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন এবং দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করবেন।
৩০০ ফিট এলাকা থেকে বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে তারেক রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখানে বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা তিনি চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাশে অবস্থান করবেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবনে (ফিরোজা) যাবেন।



























