যেভাবে বেঁচে গেলেন জুনায়েদ ও অন্যরা

Reporter
পপুলার বিডিনিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ জুলাই ৩০, ২০২২ | ৩:৪৩
Link Copied Successfully!

গেট খোলা পেয়ে গাড়ি উঠে যায়। মুহূর্তেই মাঝামাঝিতে সজোরে ধাক্কা দেয় ট্রেনটি। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির পেছনের ডালা (ব্যাকডালা) খুলে যায়। আমরা নিচে পড়ে যাই।’
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন জুনায়েদ কায়সার ইমন তাঁর বেঁচে যাওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এভাবে। বলেন, ‘ডালা খুলে যাওয়ায় পেছনের সবাই বেঁচে যায়।’

গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়া স্টেশন এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় জুনায়েদদের মাইক্রোবাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ১১ জন। আহত হন আরও ৭ জন। হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৬ জন হাটহাজারীর আরএনজে কোচিং সেন্টারের ছাত্র ও শিক্ষার্থী। নিহত ব্যক্তিদের একজন চালক। তাঁর সহকারীও আহত হন।

আহত সাতজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন নিউরোসার্জারি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সার্জারি বিভাগে ভর্তি হওয়া জুনায়েদ সবচেয়ে কম আঘাত পান।

বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার জুনায়েদ তাঁর শয্যায় বসে ঘটনার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আটটায় রওনা দিই। আমাদের সঙ্গে চারজন শিক্ষক ছিলেন। ১০টার দিকে পৌঁছে যাই। সেখানে গোসল করি। অনেক আনন্দ হয়। এরপর বেলা একটার দিকে রওনা দিই খৈয়াছড়া ঝরনা থেকে। কিছুক্ষণের মধ্যে মাইক্রোবাসটি বড়তাকিয়া এলাকার রেলগেটে পৌঁছায়। এরপর ঘটে দুর্ঘটনা।’

জুনায়েদ আরও বলেন, ‘আমরা পাঁচজন পেছনে বসি। আমি ছাড়া এক বন্ধু মাহিম আর তিন এসএসসি পরীক্ষার্থী আয়াত, সৈকত ও তাসফির ছিল। ক্রসিংয়ে গেট খোলা ছিল। গেটম্যান দেখিনি। গাড়িটি লাইনে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন এসে ধাক্কা দেয়। বিকট শব্দে আমরা হতবিহ্বল। নিচে পড়ে যাই। আমি উঠে দাঁড়ালাম। অন্যরা লাইনের পাশে পড়ে যায়। তখন বৃষ্টি পড়ছিল। আমি বৃষ্টির পানি খাওয়াই কয়েকজনকে।

ট্রেনটি মাইক্রোবাসটিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ঠেলে নিয়ে যায়। এর মধ্যে যাত্রীরাও নেমে আসেন ট্রেন থেকে। তখন জুনায়েদ হেঁটে হেঁটে মাইক্রোবাসের কাছে যান।

বিজ্ঞাপন

জুনায়েদ বলেন, ‘হাঁটতে গিয়ে দেখি পায়ে ব্যথা লাগছে। রক্ত পড়ছে কয়েক জায়গা থেকে। মাইক্রোবাসের কাছে গিয়ে দেখি সবাই রক্তাক্ত। আমি আর পারিনি দেখতে।’
উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্র জুনায়েদ এখনো জানেন না তাঁর কোন কোন বন্ধু কিংবা শিক্ষক মারা গেছেন। হাসপাতালে তাঁর পাশে রয়েছেন বাবা আবুল কাশেম। বেঁচে যাওয়ার পর এক ট্রেনযাত্রীর কাছ থেকে ফোন নিয়ে আবুল কাশেমের সঙ্গে কথা বলেছিলেন জুনায়েদ।

আবুল কাশেম বলেন, এক মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে জুনায়েদ ছোট। তাঁর ওপর অনেক আশা। আল্লাহ তাঁকে এই যাত্রা বাঁচিয়ে দিয়েছেন। অনেক শুকরিয়া।

সূত্র: প্রথম আলো
H/N

ট্যাগ:

শীর্ষ সংবাদ:
প্রত্যাশা সামাজিক সংগঠনের আয়োজনে মৈশাদীতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা নিলেন প্রায় তিন শতাধিক মানুষ গজরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে শাহ আলম লস্করকে সমর্থন জানালেন গ্রামবাসী মতলবে উদ্ধার হয়নি রবিন : স্বামীর সন্ধানে ঘাটে স্ত্রী, লঞ্চসহ আটক ২ লংমার্চে কেউ কেউ বক্তব্য দিয়ে ‘বাঘ’ সাজতে চান : মানিক এমপি হাজীগঞ্জ ৯০ লাখ টাকা অগ্রিম নেওয়ার পরও দোকান বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দোকান মালিক আতাউলের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জে শহীদ আল্লামা ফারুকী (রহ.) স্মৃতি মেধা বৃত্তির সনদ বিতরণ ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার অধিকারে বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগ, শিক্ষকসহ দুজনকে অব্যাহতি আল আমিন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডি বাতিলের প্রতিবাদে চাঁদপুর আল-আমিন সোসাইটির সাংবাদিক সম্মেলন কাঁকৈরতলা জনতা কলেজে নবীনবরণ ও নতুন ক্লাসের উদ্বোধন ২৬ সেপ্টেম্বর চাঁদপুরে ওয়াজ মাহফিলে আসছেন গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরী ইকরা মডেল একাডেমিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতা অভিযান হাজীগঞ্জের মোল্লা খোরে স্টেডিয়াম ও মৎস্য অভয়াশ্রম গড়ার অপার সম্ভাবনা ভারতে পর্যটকবাহী বাসে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ৯ জনের গুলশানে গাড়িচাপায় বাকপ্রতিবন্ধীর মৃত্যু, ৯ লাখ টাকায় আপস ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির ২ ঘণ্টার মধ্যেই কিশোরের মৃত্যু এমপি নজরুলের ২য় স্ত্রীর মামা ওবায়েদ কারাগারে হাজীগঞ্জে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু হাজীগঞ্জে বিনামূল্যে বিশেষ সার্জারি চিকিৎসা ক্যাম্প শুক্রবার হাজীগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি, সভাপতি শামীম সম্পাদক আরিফ