
হাজীগঞ্জে নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে দুই দিন ব্যাপী পিঠা উৎসব


১০ টি পিঠা নিয়ে শুরু করা নারী উদ্যোক্ততা ইরা খান। এখন তার দৈনিক পিঠা বিক্রির আয় কয়েক হাজার টাকা। তার মতো দুই ডজন নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পিঠা উৎসবের মিলন মেলা বসেছে।
হাজীগঞ্জ ফোরামের উদ্যোগে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরে শুক্রবার বিকালে ফুড লাভারস সেন্টারে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ কুমার দে।
পিঠা উৎসবে আসা হাবিব উল্ল্যাহ ও রাফিয়া নুসরাত নিদি জানান, এ ধরণের পিঠা উৎসবের কারণে আমাদের ভবিষৎত প্রজন্ম আগ্রহী হবে। এবং গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ফুটে উঠবে। মেলায় এসে অনেক নতুন নতুন পিঠার সাথে পরিচিতি হওয়া গেছে।


নারী উদ্যোক্তা ইরা খান, শিউলী বেগম ও রাশেদা বেগম জানান, স্টলে শত শত পিঠা। এমন আয়োজনে বিক্রি করার পাশাপাশি পরিচিতি হওয়ায় যায়। আমাদের মতো অন্য নারীদের উদ্যোক্তা হয়ে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।
অংশ নেয়া নারী উদ্যোগক্তাদের স্টল গুলো হলো ইশার পিঠা ঘর, শিউলী ফুড জোন, নবান্ন পিঠা ঘর, সাথী শখের হাড়ি ঘর ও সাজেদা দি কেক স্টোরি সহ ২০টি স্টল। এই স্টলে স্থান পেয়েছে শীতের পিঠাসহ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নানা পিঠা।
পিঠাগুলোর মধ্যে রয়েছে সুন্দরী পিঠা, ক্লিপ পিঠা, গোলাপ পিঠা, তালগরা পিঠা, গোলাপি পিঠা, চন্দ্র কাট পিঠা, জামাই পিঠা, লিচুর পিঠা, ফুল পিঠা, ইলিশ মাছের পিঠা, চিংড়ি মাছের পিঠা, শিউলি ফুলের পিঠা, ডিম সুন্দরী পিঠা, লিচু পিঠা, নকশী পিঠা, নারকেল পুর, চিকেন ঝাল পিঠা, ক্ষীর পীঠা, নারকেল পুলি, তিলের পিঠা, সেমাই পিঠা, ডালের পিঠা, কামরাঙ্গা পিঠা, তিলের সন্দেশ, খিরের পাটি সাপ্টা, ভাজা পুলি, মুগ পাকন পিঠা, গোটা পিটা, সিমপুল পিঠা, ঝিনুক পিঠা, তিল পুলি পিঠা, ডিম কেক পিঠা, নকশী পিঠা, আস্কে পিঠা ও লাচ্ছা পিঠা।
আয়োজক হাজীগঞ্জ ফোরামের সদস্য সচিব ও উৎসবের সভাপতি শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, হাজীগঞ্জ ফোরামের উদ্দেশ্য হলো ঐতিহ্যগুলো ফুটিয়ে তোলা। এরই মধ্যে পিঠা উৎসব। ভবিষতেও তরুণ ও নারী উদ্যেক্তাদের নিয়ে একটি ফ্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলতে চাই।








