মতলবে গোলাগুলির ঘটনার পর এবার আলোচনায় সিসি ক্যামেরা

Reporter
নিজস্ব প্রতিনিধি
আপডেটঃ জুন ২১, ২০২৩ | ৯:৫০
Link Copied Successfully!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সমাবেশে যাওয়ার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহতের ঘটনায় তাৎক্ষনিক তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়।

এই ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই আমির হোসেন কালু ৩১ জনের নাম উল্লেখ এবং ৩০-৪০জন অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা করেন। এই মামলায় এই পর্যন্ত মতলব উত্তর থানা পুলিশ ৭জনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলছে।

মামলার এজহার, স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানাগেছে, এই মামলার প্রধান আসামী মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান। দ্বিতীয় আসামী কাজী আব্দুল মতিন এবং তৃতীয় আসামী কাজী হাবিবুর রহমান। দুই ও তিন নম্বর আসামী চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমানের আপন ভাই।

বিজ্ঞাপন

মামলার এজহারে ঘটনার যে তারিখ, বার ও সময় উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাদের অপরাধের বর্ণনা করা হয়েছে তা সঠিক নয় বলে দাবী করেছেন চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান পরিবারের সদস্যরা। তারা তিন ভাই ওই দিন ওই সময়ে নিজ বাড়ীতে অবস্থান করছিলেন। আর তাদের বাড়ী থেকে ঘটনাস্থলের দুরুত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। চেয়ারম্যান ও তার দুই ভাই ঘটনার সময় মোহনপুর নিজ বাড়ীতে অবস্থান করেছেন মর্মে সিটিটিভি ফুটেজ গনমাধ্যমের হাতে এসেছে। ওই ফুটেজে পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে ওইদিন বিকেল ৩টা ৪ মিনিটে ১নম্বর আসামি চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান তার মোহনপুর বাসবভনে অবস্থান করছেন। ২নম্বর আসামি কাজী আব্দুল মতিন বেলা ২টা ৫৮ মিনিটে তার মোহনপুর বাসবভনে অবস্থান করছেন।

এছাড়াও ৩নম্বর আসামি কাজী হাবিবুর রহমানও তার মোহনপুর বাসবভনে বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে অবস্থান করছেন।

মোহনপুর কাজী বাড়ীর বাসিন্দা কাজী গোলাম হোসাইন জানান, গোলাগুলির ঘটনা হয়েছে সত্য। তবে চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান এর সাথে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এর সাথে পূর্ব থেকেই নানা কারণে দ্বন্ধ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এক সময় কাজী মিজানুর রহমান মায়া চৌধুরী খুবই নিকটের লোক ছিলেন। বিশেষ করে এই বছর মোহনপুর উইনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন অনেক ঘটনার সৃষ্টি হয়। কিন্তু গোলাগুলির ঘটনাটি প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ওইখানে স্থানীয়ভাবে কালু বেপারী ও রাজ্জাক প্রধানদের পূর্ব থেকেই শত্রুতা রয়েছে। বাহাদপুর চরে এই ধরণের গ্রুপ অনেক আগ থেকেই। যারা স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগ করে তাদের মধ্যে পূর্ব থেকেই গ্রুপিং।

মামলার চলমান অবস্থান প্রসঙ্গে মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, মামলাটি তদন্তের জন্য দায়িত্ব হয়েছে থানার ওসি তদন্ত মো. সানোয়ারকে। তিনি মামলাটির তদন্ত করছেন।

ঘটনার সাথে জড়িত কারা কিংবা নিহত ব্যাক্তিকে কারা গুলি করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, এসব বিষয়গুলো আমরা বের করার জন্য চেষ্টা করছি। কাজ শেষ হলে সব কিছু জানতে পারবেন। মামলায় আরো যারা আসামী রয়েছে তাদেরকে গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

E/N

ট্যাগ:

শীর্ষ সংবাদ:
৪০–৫০ বছর পর ওয়ারিশি সম্পত্তির দাবি, মামলা চলাকালেই ভবন নির্মাণের অভিযোগ আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ২২ জন কিউআর কোডে লেনদেনে কোনো ফি লাগবে না: অর্থমন্ত্রী চাঁদপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত ঢাকা মহানগর উত্তরের বিএনপিসহ তিন কমিটি বিলুপ্ত, বহিষ্কার ১৪ নেতা ফরিদগঞ্জে মুহাদ্দিস মাও. মো. মোশাররফ হোসাইন জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত চাঁদপুরে কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান, ১১ জনের কারাদণ্ড পুলিশ পরিচয়ে চালককে ফ্ল্যাটে আটকে টাকা আদায়ের অভিযোগ, আটক ৪ নারী কচুয়ায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি আটক জুলাই গণহত্যার দুই মামলায় আসামি পটুয়াখালী নদীবন্দরের কর্মকর্তা, জানে না কর্তৃপক্ষ মতলব উত্তরে ৩০ প্রান্তিক পেশাজীবীকে প্রশিক্ষণ ও অনুদানের চেক প্রদান কচুয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব মতলব পৌরসভায় রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন ইউএনও ২৮ হাজার টাকার শাড়ি প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা চাঁদপুরে রাতে ঘুরাঘুরি করায় ৪৯ কিশোর আটক কুয়েত প্রবাসী খোকন পাটওয়ারীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন মিয়ানমারের রাখাইনে বিমান হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচনে তৃতীয় চাঁদপুরের হোসনে আরা মতলব পৌরসভার সমন্বয় কমিটির (টিএলসিসি) সভা