
ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ বিনা নোটিশে বন্ধ করে দিয়েছে ভবন মালিক
প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম লাপাত্তা


ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ বিনা নোটিশে বন্ধ করে দেয়াসহ প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান আসবাবপত্র আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ভবন মালিক(আশেক মঞ্জিল) আশু মিয়া ও তার ছেলে আব্দুল আহাদের বিরুদ্ধে।
ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের মালিক ও প্রধান শিক্ষিক গোলাম কিবরিয়া এ ঘটনায় বাদী হয়ে ভবন মালিক আশু মিয়া(৫৫), আব্দুল আহাদ(২৫) সহ অজ্ঞাত ৬/৭জনকে বিবাদী করে হাজীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, সোমবার সকালে ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের ভবন মালিকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে ভাড়া পরিশোধ করে আসছে।


ঘটনার আগে বা পরে কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে বিল্ডিং মেরামতের নামে অফিসের চাবি নিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস কক্ষ সহ ক্লাস রুমের যাবতীয় জিনিসপত্র ও মূল্যবান আসবাবপত্র – যাহার মূল্য অনুমান আঠারো লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
জানতে চাইলে ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের মালিক ও প্রধান শিক্ষিক গোলাম কিবরিয়া জানান, আমাদের স্কুলে ৪০জন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এমতাবস্থায় বিনা নোটিশে আমাদের স্কুল বন্ধ করে দেয় ভবন মালিক ও তার ছেলে। শুধু তাই নয় প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ট্রাকে করে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার থেকে শিক্ষার্থীদের কোথায় ক্লাস নিবে বিষয়টি নিয়ে বিপাকে রয়েছেন তারা।
এদিকে ভবন মালিক (আশেক মঞ্জিল) আশু মিয়া জানান, ২০১৩সালে ভবনের ছয়তলা পর্যন্ত ভাড়া নিয়েছে ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম।
একপর্যায়ে তিনি লেনদেন ক্লিয়ার না করেই লাপাত্তা হয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে অনেক কষ্ট করে এ ভবন নির্মাণ করেছি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ভাড়া দিয়েও ঠিক মতো ভাড়া পাইনি। এছাড়াও বর্তমানে যারা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন তাদের চুক্তি করার জন্য বারবার বলা হয়েছে । ওরা বসতে রাজি না হওয়ায় কিছু সরঞ্জামাদি অন্যত্রে সরিয়ে রাখা হয়েছে।
হাজীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক আবদুল্লাহ জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। এবং অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








