
পপুলার বিডিনিউজে প্রতিবেদন প্রকাশের পর
হাজীগঞ্জে কৃত্রিম পা দিয়ে পরিক্ষা কেন্দ্রে সেই আছমা


কৃত্রিম পা সংযোজন করা সেই আছমা এখন এইচএসসি পরিক্ষার্থী। পরিক্ষার প্রথম দিন হাসিমুখে বাবার সাথে কেন্দ্র প্রবেশ করল সে। রোববার সকালে হাজীগঞ্জ মডেল সরকারী কলেজ কেন্দ্রে দেখা মিললো তার সাথে। আছমা বলাখাল মুকবুল আহমেদ ডিগ্রি কলেজ এ মানবিক বিভাগ থেকে পরিক্ষায় অংশ নিয়েছে।
একটি পা ছিলো না। কিন্তু ছিলো তার শত স্বপ্ন। তাইতো ট্রেচারের উপর ভর দিয়ে হাজির হতো কলেজে। এইচএসসি ২০২১-২২ শিক্ষা বর্ষে পড়ুয়া শিক্ষার্থী আছমা আক্তার যখন কলেজে প্রবেশ করছে ট্রেচারে ভর করে তখনই নজরে আসে পপুলার বিডিনিউজের । এর পর তুলে ধরা হয় আসমার জীবন আর বাকরুদ্ধকর এই জীবনের স্বপ্নগুলো।
আসমাকে নিয়ে করা প্রতিবেদনে একটি কৃত্রিম পা’য়ের জন্য সহযোগিতা চাওয়া হয়। প্রতিবেনটি দেখে এগিয়ে আসে আনিস মজুমদার নামের এক বিত্তবান। সেই কৃত্রিম পা’য়ে ভর করেই ২০২২ সালের এইচএসসি পরিক্ষা অংশ নিয়ে বাবার হাত ধরে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল কলেজে আছমা আক্তার।


পরিক্ষা দিতে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আছমা আক্তার ও তার বাবা।
আছমা আক্তার হাজীগঞ্জ উপজেলার ৪নং কালচোঁ ইউনিয়নের রামপুর মজুমদার বাড়ির কফিল উদ্দিনের মেয়ে। চার বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে আছমা আক্তার চতুর্থ।
ছোট বেলায় এক পা হারিয়ে স্বপ্ন দেখতেন একটি কৃত্রিম পায়ের। সেই স্বপ্ন পূরণ হয় ২০২১ সালে। সে হাজীগঞ্জ উপজেলার রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ম শ্রেণি ও রামপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করে।
সে ভবিষ্যৎতে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে চায়।








