
প্রকৃতির সঙ্গে বসবাস


ঘরের ভেতরে খুব বেশি জায়গা পাওয়া যায় না; আবার সবার বাড়িতে টেরেসও থাকে না। কিন্তু সবার ঘরেই কিছু না কিছু জায়গা আছে যেখানে ছোট ছোট গাছ লাগিয়ে শোভা বাড়ানো যায়। এমন কিছু অভ্যন্তরীণ উদ্ভিদ আছে, যা ন্যূনতম জায়গা নেয়, এমনকি কম রোদের প্রয়োজন হয়। অভ্যন্তরীণ উদ্ভিদগুলো নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে শুধু সৌন্দর্যেই নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এমন উদ্ভিদ নির্ধারণ করলেই ভালো। ঘরের সবুজ প্রকৃতি দেখে আরও স্বাচ্ছন্দ্য এবং মন শান্ত বোধ করতে সহায়তা করে, যা প্রতিদিনের মেজাজকে চাঙা করে। অভ্যন্তরীণ উদ্ভিদের গুণ এবং নান্দনিক দিক জীবনে নতুন মাত্রা যোগ করবে। মূলত যে উদ্ভিদগুলো কেবল বাতাসকেই সতেজ করে না বরং ক্ষতিকারক টক্সিনগুলোও দূর করে, সেই উদ্ভিদগুলো গৃহসজ্জার জন্য সবচেয়ে ভালো।


২০০৭ সালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে নাসার বিস্তৃত গবেষণা থেকে জানা গেছে কিছু অভ্যন্তরীণ উদ্ভিদ আছে, যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৮৭ শতাংশ বায়ুতে টক্সিন অপসারণ করতে পারে। সেই গবেষণায় আরও প্রমাণিত হয়েছে যে অভ্যন্তরীণ উদ্ভিদের ঘনত্ব মানুষের কর্মক্ষমতা ১৫ শতাংশ উন্নতি করে, মানসিক চাপের মাত্রা হ্রাস করে এবং মন–মেজাজকে ঝরঝরে করে তোলে।
প্রকৃতিনির্ভর গৃহসজ্জার সহজ উপায়
অভ্যন্তরীণ উদ্ভিদে খুব বেশি রোদের প্রয়োজন পড়ে না, এমনকি বেশির ভাগ অভ্যন্তরীণ গাছপালা সরাসরি মধ্যাহ্নের রোদ পছন্দ করে না। নতুনভাবে ঘরে সবুজ প্রকৃতি তৈরি করে প্রথমে এমন কিছু উদ্ভিদ নির্বাচন করতে হবে, যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে প্রচুর সবুজ এনে দেবে। এমন একটি উদ্ভিদ হলো মানি প্ল্যান্টস।

ডেভিলস আইভি, সিলভার ভাইন, গোল্ডেন পথোস, হান্টার রোবসহ অনেক নাম থাকলেও মানি প্ল্যান্ট নামেই পরিচিত। সবুজ-হলুদ রঙের শেডের পাতায় ঘরে চমৎকার পরিবেশ তৈরি করে এবং লতানো হওয়ায় গৃহসজ্জায় অন্য মাত্রা এনে দেয়। মাটি ছাড়াও আরেকটি সুবিধা শুধু পানিতেই এই উদ্ভিদ বেড়ে ওঠে। তবে মাঝেমধ্যে পানি বদলে দিতে হয়। মানি প্ল্যান্ট ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ রেখে অক্সিজেনের চলাচল বাড়ায়। উজ্জ্বল আলোয় জলদি বেড়ে উঠলেও ঘরের যেখানে সরাসরি সূর্যের আলো আসে নাসেখানে মানি প্ল্যান্ট রাখা যায়। খুব যত্নের লাগে না।
সূত্র:প্রথম আলো
H/N



























