
বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মতলবের কৃতি সন্তান অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম


বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম।
তিনি ভাষা সংগ্রামী, শিক্ষাবিদ, লেখক ও জাতীয় অধ্যাপক হিসেবেও বেশ আলোচিত ব্যক্তি। আগামী তিন বছরের জন্য তাকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম একুশে পুরস্কার,স্বাধীনতা পুরস্কার ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদকেও ভূষিত হয়েছেন।


এর আগে গত ১৪ এপ্রিল বাংলা একাডেমির সভাপতি ও সাবেক মহাপরিচালক ফোকলোর গবেষক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর সভাপতির পদটি শূন্য হয়।মঙ্গলবার (১৮ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. অলিউর রহমাননের সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলা একাডেমি আইন, ২০১৩ এর ধারা-৬ (১) অনুযায়ী, অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নজরুল গবেষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম নজরুল অধ্যাপক এবং নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের প্রথম পরিচালক ছিলেন। ৮৭ বছর বয়সী লেখক ভাষা আন্দোলনেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। সেই সময়ের দুর্লভ কিছু আলোকচিত্রও ধারণ করেছেন তিনি। বাঙালির মুক্তির সংগ্রামের প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে সেইসব ইতিহাস গ্রন্থিত করেছেন তার লেখায়। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে প্রথম গ্রন্থ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাসে প্রথম গ্রন্থটিসহ প্রায় ৩০টি গ্রন্থ লেখা এবং সম্পাদনা করেছেন।
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম একুশে পুরস্কার,স্বাধীনতা পুরস্কার ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদকেও ভূষিত হয়েছেন।
তিনি বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তাছাড়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য তিনি। ২০১৮ সালে সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত করেন।
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম এর জন্ম: মতলব উত্তর, চাঁদপুর জেলায়। জেলাবাসী তাঁর দায়িত্ব পালনে আনন্দ প্রকাশ করে এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন।




























