
২৬’র মেসি যেন ৯০’র ম্যারাডোনা


বিশ্বকাপে ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এখন পর্যন্ত দুইটি দেশ, ইতালি ও ব্রাজিল। তবে একাধিকবার সুযোগ এসেছিল আর্জেন্টিনার কাছেও। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন থাকা অবস্থায় পরের আসরেও ফাইনাল খেলে দুইবার হেরে যাওয়া একমাত্র দল আর্জেন্টিনা। একবার করে এই অভিজ্ঞতা রয়েছে ফ্রান্স ও ব্রাজিলের। এবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল যেন মেসি-ম্যারাডোনাকে আরও একবার পাশাপাশি এনে দাঁড় করালো।
১৯৮৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনা। আসরের সেরা খেলোয়াড়ের তকমা পান ম্যারাডোনা, জেতেন গোল্ডেন বল। পরের বিশ্বকাপেও তারা পৌঁছে যায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে।
তবে আগেরবার যে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে সোনালি ট্রফি ঘরে তুলেছিল আকাশি-সাদারা, চার বছর পর সেই পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষেই স্বপ্নভঙ্গ হয় আলবিসেলেস্তেদের।


আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে সর্বকালের সেরা দুইজন হলেন মেসি ও ম্যারাডোনা। অধিনায়কত্বে দলকে বিশ্বসেরার মুকুট পরানো এবং আসরের ব্যক্তিগত সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন উভয়ই। তবে ঠিক পরের বিশ্বকাপে নিজেদের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন তকমাটা বিলীন হয়েছে ঠিক ফাইনালেই— মেসি আর ম্যারাডোনার অভিজ্ঞতা যেন একই।




























