
চাঁদপুরে পাটের লক্ষমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় হতাশ কৃষকরা


দেশের অন্যতম পাট উৎপাদনকারী নদীবিধোত অঞ্চল চাঁদপুর। অনাধিকাল থেকেই চাঁদপুরের মাটি ও আবহাওয়া পাট চাষের উপযোগী।
এই অঞ্চলের অধিবাসীদের পাট চাষের বেশ আগ্রহ রয়েছে। চাঁদপুরের প্রায় প্রতিটি উপজেলাতেই কম বেশি পাট উৎপন্ন হয়ে থাকে। নদী কেন্দ্রিক জেলা চাঁদপুর। এ বছর জেলার দুটি সেচ প্রকল্পসহ ৮ উপজেলায় পাটের আবাদ হয়েছে। তবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। ৩শ’ হেক্টর জমিতে কমেছে পাটের আবাদ। ৩ হাজার ৯ হেক্টরের মধ্যে আবাদ হয়েছে ৩ হাজার ৬শ’ হেক্টর জমিতে
এ বছর পাটের আবাদ শুরু হলেই প্রথম দেখা দেয় বৃষ্টি। তখনই পাটের চারাগুলো বিনষ্ট হয়ে যায়। এরপর কিছুটা বড় হলেও ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে পাটের গাছগুলো আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে কারণে কৃষকরা একাধিকবার দুর্যোগের মধ্যে পড়েন।


বর্তমানে জেলা সব উপজেলার কৃষকরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাট কর্তন, পাট পানি থেকে তুলে পরিস্কার করা, রোদে শুকানোসহ নানা কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
এদিকে পাটের আবাদ করার জন্য ঋণ নেয় কৃষকেরা। কর্তনের পর উৎপাদন কম এবং বাজারে পাটের দামও কম। যে কারণে এখন দিশেহারা হয়ে কৃষকরা। এই পরিস্থিতিতপ কৃষি বিভাগ থেকে এসেও খোঁজ খবর নিচ্ছে না বলে জানান এখানকার কৃষকেরা।
এ বছর চাঁদপুর জেলায় পাটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। অতি বৃষ্টির কারণে চারা অবস্থায় পাটের ক্ষতি হয়েছে। যে কারণে কৃষকরাও তাদের লক্ষমাত্রা অনুযায়ি আবাদ করতে পারেনি। তবে পাটের বাজার মূল্য সঠিক পেলে এবং পাট প্রস্তুত করার জন্য পর্যাপ্ত পানি থাকলে কৃষকরা আবারও পাট আবাদে আগ্রহী হবে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাফায়েত আহম্মদ সিদ্দিকী।








