
কচুয়ার শ্রীরামপুর মাদ্রাসায় কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ


কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদীয়া ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার সভাপতি মো. নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হাসান এর বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতিষ্ঠানটির জমিদাতা মৌলভি ইদ্রিস বকাউলের বড় ছেলে মিজানুর রহমান।


অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমানের বাবা মৌলভি ইদ্রিস বকাউল মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠায় ৯৬ শতাংশ জমি দান করেন। মাদ্রাসায় অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর, নৈশ প্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে জমিদাতা মিজানুর রহমানের স্ত্রী ছালমা আক্তার অফিস সহকারি কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে আবেদন করেন।
উক্ত প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নাছির উদ্দিন ভূমিদাতা পরিবারে সদস্য হিসাবে ছালমা আক্তারকে উক্তপদে নিয়োগ দিবেন বলে আশ্বস্থ করেন। গত ১০ নভেম্বরের নিয়োগ পরীক্ষায় সভাপতি জমিদাতার পরিবারের সদস্য ছালমা আক্তার কে নিয়োগ না দিয়ে অন্য আরেক জনকে নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা করছে।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতার পরিবার বর্তমানে অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছে। এ নিয়োগকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে এলাকার শতশত নারী পুরুষ জড়ো হয়ে কম্পিউটার অপারেটর পদে ছালমা আক্তারকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য মাদ্রাসার সুপারের মাধ্যমে সভাপতি নাছির উদ্দিনকে অনুরোধ করেন।
মাদ্রাসার সুপার নুরুল আলম মজুমদার বলেন, কম্পিউটার অপারেটর পদে জমিদাতা পরিবারের সদস্য ছালমা আক্তারকে নিয়োগের ব্যাপারে এলাকাবাসীর আবেদনটি সভাপতির সাথে আলোচালনা করবে।
মাদ্রাসার সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন প্রধান বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় ৮জন অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে যোগ্যতানুসারে যে প্রথম হয়েছে নিয়োগ কমিটি তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে । কোন প্রকার অনিয়মের সাথে জড়িত নাই। ভবিষ্যতে কোন পদে নিয়োগ থাকলে জমিদাতা পরিবারের সদস্য হিসাবে তাদেরকে বিশেষ বিবেচনা করা হবে। এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হাসান জানান, অভিযোগপত্রটি এখনো দেখা হয়নি। ডাকফাইল হাতে পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।








