
মিনিকেট কি মোটা চাল কেটে তৈরি হয়, খেলে কি ক্যানসার হয়, গবেষণা কী বলছে


মিনিকেট নামে বাজারে বিক্রি হওয়া চালটি এখন নন্দ ঘোষের ভূমিকায়। সরকার মিনিকেটের ওপর দায় চাপিয়ে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টায় আছে। নতুন সিদ্ধান্ত এসেছে যে মিনিকেট নামে চাল বিক্রি করলে আইনি ব্যবস্থার মুখে পড়তে হবে।
যা-ই হোক, চালের বাজার নিয়ে আলোচনার আগে জেনে আসি, এই নন্দ ঘোষ আসলে কে?
মথুরার রাজা কংস ছিলেন অত্যাচারী ও প্রজাপীড়ক। তাঁর হাত থেকে রক্ষার জন্য কৃষ্ণকে বৃন্দাবনের ঘোষপল্লিতে নন্দ ঘোষের বাড়িতে রেখে আসেন বাসুদেব (কৃষ্ণের পিতা)। অবশ্য কৃষ্ণ ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অসম্ভব দুরন্ত। বৃন্দাবনের বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে মাখন-ননি চুরি করে খেয়ে নেওয়াসহ নানা দুষ্টুমি করেই তিনি সময় কাটাতেন।


কৃষ্ণের দুষ্টুমি নিয়ে নালিশ মনোযোগ দিয়েই শুনতেন নন্দ ঘোষ। কিন্তু স্নেহের কৃষ্ণকে কিছুই বলতেন না। একপর্যায়ে সব দোষ হতো তাঁর। সেই থেকে এসেছে ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’ কথাটি।
ধারণা করা হয়, কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল ৩২২৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে। এখন ২০২২ সাল, এ বছরে নন্দ ঘোষদের মধ্যে অন্যতম ‘মিনিকেট’। সরকার এখন মিনিকেটকে বাজার থেকে ‘নাই’ করে দিতে চাইছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম গত বুধবার গাজীপুরে এক অনুষ্ঠানে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই বলে যে কেউ ‘মিনিকেট’ নামে কোনো চাল বিক্রি করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, ‘মিলে চাল বস্তাজাত করার সময় তাতে জাতের নাম লিখে দিতে হবে। কেউ যদি এর ব্যত্যয় করে, সে ক্ষেত্রে আমরা তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থায় যাব।’
সূত্র:প্রথম আলো
H/N







