
কচুয়ায় টার্মিনাল ছাড়াই বাস ও ট্রাকের টোল আদায় করছে পৌর কর্তৃপক্ষ


বাস, ট্রাকের নির্ধারিত টার্মিনাল ছাড়া টোল আদায় বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। কিন্তু চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভায় নেই পৌর বাস ও ট্রাক টার্মিনাল। প্রতিবছর অবৈধভাবে বাস ও ট্রাক থেকে টোল আদায়ে করছে কচুয়া পৌর কর্তৃপক্ষ ।
তৎকালীন সময়ে টার্মিনাল ছাড়া দেশের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ এলাকায় বাস, ট্রাকসহ যন্ত্রচালিত সব পরিবহন থেকে এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে টোল আদায় কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। তারপর হাইকোট টার্মিনাল ছাড়া টোল আদায় বন্ধের নিদেশ প্রদান করেন।
কচুয়া পৌরসভার হাট-বাজার ইজারা /পৌর বাস/ ট্রাক স্ট্যান্ড/ সিএনজি স্ট্যান্ড/ গণশৌচাগার/ পৌর পশু জবাইখানা ইজারা বিজ্ঞপ্তিতে কচুয়া পৌর বাস ঘাট ও কচুয়া ট্রাক ঘাট উল্লেখ করে সিডিউল বিক্রি করা হয়েছে। বাস ও ট্রাক ঘাটের নামে অবৈধভাবে প্রতিনিয়িত বাস ও ট্রাক থামিয়ে টোল আদায় করা হচ্ছে।


সুরমা পরিবহনের এক চালক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি জানান, প্রতিদিন ৫০ টাকা করে কচুয়া পৌরসভাকে টোল দিতে হচ্ছে। অথচ বাস রাখার কোন টার্মিনাল নেই। একই কথা ট্রাক চালকেদের। তারা বলেন, হাজিগঞ্জ ও কচুয়া সড়কে ট্রাক রাখার কোনো স্ট্যান্ড না থাকলেও প্রতিটি ট্রাক থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছে। আর এটা নিয়ে টোল আদায়কারী ও ট্রাক চালকদের সাথে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে প্রতিনিয়ত।
বাস চালকেরা বলেন, প্রতিনিয়ত এই সড়কে আসা-যাওয়ার করা হয়। কোন নির্ধারিত স্থান না থাকলেও আদায় করা হয় টোল।
কচুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম বলেন, সারা বাংলাদেশে ইজারা নিয়ে যেভাবে টাকা তোলা হয় এখানে সেভাবে টাকা তোলা হয়।
কচুয়া পৌর মেয়র নাজমুল আলম স্বপন বিনা ছুটিতে আছেন দেশের বাহিরে। তবে পৌর সচিব জাহিরুল ইসলাম সর্দার বলেন, কচুয়া বাজারসহ ইজারা দেয়া হয়। পৌরসভায় আয় কম। টার্মিনালও নাই। ইজারা দিয়ে অফিস স্টাফদের খরচা মেটানো দায় হয়ে পড়ে।








