
পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়
তিন লাখ টাকার গাছ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি!
পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের রেশ না কাটতে গাছ বিক্রিতে অনিয়ম -- পপুলার বিডিনিউজ 
হাজীগঞ্জ উপজেলার পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ের আশ-পাশে থাকা মূল্যবান গাছ অনুমতি ছাড়াই বিক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ গাছ গুলো বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে বিক্রয় করেছে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ। উপজেলা প্রশাসন এবং বন ও পরিবেশ কার্যালয়ের অনুমতি নেয়া হয়নি। এতে সরকারের রাজস্ব বিভাগ আয়কর ও ভ্যাটের অর্থ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা মিলল- উপজেলার ৯নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ এবং বিদ্যালয়ের পাশে থাকা মোট ৩৫টি গাছের কাটা গুঁড়ি রয়েছে। ওই গাছ গুলোর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মাত্র ৮০ হাজার টাকায় ওই ৩৫ টি গাছ বিক্রি করেছে। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ নিজেদের পছন্দের লোকজনের কাছে গাছগুলো বিক্রি করেন। যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত । এ বিদ্যালয়ে সম্প্রতি চারটি নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত রয়েছে। সেই বিভ্রান্তির রেশ না কাটতেই গাছ ও পুরাতন টিনের ঘর বিক্রয়ের অভিযোগ উঠে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন বলেন, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে গাছ বিক্রয় করা হয়েছে। সে টাকা বিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা রাখা হয়। উপজেলা গাছ কর্তন কমিটির অনুমতি নিয়েছেন কি না তা জানতে চাইলে? তিনি বলেন, এ ধরণের অনুমতি কখনো নেওয়া হয়নি।


বিদ্যালয়ের সভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক হেলাল বলেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য কমিটির সিদ্ধান্তে গাছ বিক্রয় করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কারো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন নিয়ম অনুযায়ী গাছ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে একটি কমিটি রয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্তে গাছ নিলামে বিক্রয় করবে। এতে পরিচালনা পর্ষদ এ কাজ করতে পারেন না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কর্তন এবং নিলামে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে একটি কমিটির প্রতিনিধিগণ বন কর্মকর্তার সমন্বয়ে গাছের মূল নির্ধারণ করবে। এ ক্ষেত্রে নিয়ম মানা না হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।








