
ফরিদগঞ্জে ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে অপ-প্রচার চালাচ্ছে একটি মহল
Link Copied Successfully!

ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৮নং পাইকপাড়া দঃ ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন মিয়াজীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালোনার সত্যতা পাওয়া যায়নি, যা সম্পূর্ণরূপ মিথ্যা ও গুজব হিসেবে প্রমানিত হয়েছে।
গত ৫ আগস্ট সরকার পদত্যাগের পর বিভিন্নভাবে গুজব ও অপ-প্রচার উঠে, উপজেলা ৮নং ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন মিয়াজী দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের কারনে উপজেলা বিএনপির যগ্ম-আহ্বায়কের স্বাক্ষরিত পত্রে কারন দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে গুরুত্ব দেওয়া হয়, দলীয় প্রভাব, আওয়ামীলীগের লোকজনের সাথে যোগসাজস ও কড়ৈতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষককে তাড়ানোর তৎপরতা চালানো। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন হিসেবে প্রমানিত।
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, সাধারণ মানুষ ও বিএনপির সমর্থিত কয়কেজন ব্যক্তিদের মাধে কথা হলে তারা বলেন, ফারুক হোসেন মিয়াজীর বিরুদ্ধে যে সকল অপপ্রচার ও গুজব উঠানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা। কারন, ফারুক হোসেন মিয়াজী এধরনের কাজ করার মতই না, তিনি একজন সাদাসিধা ও বিনয়ী মানুষ, বর্তমানত দূরেন কথা, যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিলো, তখন তিনি এসক কাজ করেনি, এখন করার প্রশ্নেই আসে না। আমরা এসবের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
কড়ৈতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক পংকজ শর্মা বলেন, ফারুক হোসেন মিয়াজী অভিভাবক কমিটুর সদস্য, তিনি রাজনীতি করেন সেটা ভিন্ন, কিন্তু তিনি কখনো স্কুলে রাজনীতি দেখাননি। তাছাড়া উনার সাথে স্কুলের উন্নয়ন মূলক কাজ নিয়ে সবসময় কথা হয়। উনি স্কুল নিয়ে সবসময় প্রজেটিভ। আমাকে নিয়ে জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে, তা সমপূর্ণ মিথ্যা ও গুজব। আমি অপপ্রচারের বিরুদ্ধে লিখিত বিবৃতি দিয়েছি।
ফারুক হোসেন মিয়াজীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি ৮নং বিএনপির সভাপতি, আমার বাড়ি কড়ৈতলী, আমি বেশির ভাগ সময় নিজ বাড়ি ও এলাকায় থাকি, এলাকায় চলতে গেলে সবার সাথে মিলেমিশে চলতে হয়, আমি কখনো কারো ক্ষতি করিনি, খারাপ আচরনও করিনি, বিপদে আপদে কারো সাথে চলতে গিয়ে কেউ যদি বলে আমি আওয়ামীলীগের লোকজনের সাথে যোগসাজশ রয়েছে, তাহলে তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও গুজব, আমি যদি তাই করতাম, তাহলে ৫ আগস্টের পূৃর্বে এলাকা ছাড়া হতাম না, স্বৈরাচার সরকারের নির্বাচনের সময় গ্রাম ছাড়া হতাম না। আমি স্কুল কমিটির সদস্য, আমার একা কথায় প্রধান শিক্ষক এখান থেকে চলে যাবে না, আর আমিএবা কেন প্রধান শিক্ষককে তাড়াবো। উনার সাথে তো আমার কোন শত্রুতা নাই। বিগত সময় কখনো দলীয় প্রভাব খাটাই নাই, এখনি বা কেন খাটাবো, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন, ইতিপূর্বে প্রমানিত হয়েছে। আমি দলীয় নির্দেশনার বাহিরে কখনো যাইনি, যাবোও না।



























