
মকিমাবাদে ৪৬ শতাংশ ভিপি সম্পত্তি দখলে নিতে মরিয়া কারা?


হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ এলাকায় ৪৬ শতাংশ ভিপি সম্পত্তি দখলে নিতে দুই পক্ষ মরিয়া হয়ে উঠছেন। অথচ ওই সম্পত্তি অন্তত ১০ টি বিএস দাগের অংশে ছড়ানো-ছিটানো রয়েছে। সরকারিভাবে মকিমাবাদ মৌজায় ২ একর ৯০ শতাংশের মধ্যে ৪৬ শতাংশ সম্পত্তি সনাক্তকরণ না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন একাধিক পরিবার। হাইকোর্টে ওই ভিপি সম্পত্তির দাবিতে দুই পক্ষ আবেদন করলে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কিন্তু কোন ৪৬ শতাংশের উপর নিষেধাঙ্গা তার কোন চৌহদ্দি নেই।
সরজমিনে গিয়ে দেখে গেছে, হাজীগঞ্জ বিশ্বরোড় ও হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ রোড এর মধ্যবর্তী কয়েকটি স্থানে হাইকোর্টের নিষেধাঙ্গার সাইনবোর্ড ঝুলানো রয়েছে। এই সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিৎ গংরা। প্রশাসনিকভাবে কেউ এসে এই নিষেধাঙ্গার সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়নি বলে জানান স্থানীয় আরেক বাসিন্দা গৌর পদ সাহা।
ইতোমধ্যে বিশ্বরোড সংলগ্নে মফিজুল ইসলাম নামের একজন তার ক্রয়কৃত সম্পত্তির উপর বহুতল ভবন নিমার্ণ করতে গিয়ে বাঁধার সম্মুখীন হন। স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিৎ গংদের দাবী মফিজুল ইসলামের ওই সম্পত্তিতে ভিপি সম্পত্তি রয়েছে। ওই ভিপি সম্পত্তির দাবীদার তারা।


সম্পত্তি ক্রয় করার সময় সব কিছুতে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেন বিশ্বজিৎ। নতুন ভবনের পাথর পর্যন্ত দিচ্ছেন এই বিশ্বজিৎ সাহা। সে নিজেও আধা শতাংশ বিক্রি করে সাড়ে চার লাখ টাকা নিয়ে গেছে বলে দাবী করেন মফিজুল ইসলাম। তিনি আরো জানান, এখানে সংখ্যালঘু কারো সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করা হয়নি।
জানতে চাইলে স্থানীয় বাসিন্দা গৌর পদ সাহা পুরো সম্পত্তির জট খুলে দেন। তিনি জানান, মফিজুল ইসলামের কাছে যেই সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছে, তাতে কোন ভিপি সম্পত্তি নেই। বরং ২৯০ শতাংশের মাঝে ৪৬ শতাংশ সম্পত্তি ভিপি সম্পত্তি। এখনো সরকার ৪৬ শতাংশ সনাক্ত করেনি। সেই সম্পত্তির দাবীদার রতন গং ও বিশ্বজিৎ সাহা গংরা।
হাজীগঞ্জ পৌরসভার মকিমাবাদে এই সম্পত্তি বিরোধ জটিলতা নিরসন হওয়া জরুরী বলে মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


























