
অনেকেই ক্ষমা চাওয়ায় মামলায় নাম দেয়া হয়নি
হাজীগঞ্জে গণধর্ষণের শিকার স্বামী : বিচারের দাবীতে স্ত্রীর মামলা
বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী আবদুল কাদের (৩০) -- পপুলার বিডিনিউজ 
ত্রিশ উর্ধ্ব বয়সী আবদুল কাদের। সে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। গ্রামের সবার সাথে সহজে মেলামেশা তার। সেই সরলতার সুযোগে গ্রামের একদল পুরুষ তাকে নিয়ে লেলিয়ে পড়েন অপকর্মে। বছরখানেক ধরে ১০ থেকে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে তাকে নিয়ে যেতেন নির্জন স্থানে। এভাবে একদিন অসুস্থ্য হয়ে পড়লে স্ত্রীর কাছে ঘটনা খুলে বললো এই আবদুল কাদের।
ঘটনাটি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩নং কালচোঁ উত্তর ইউনিয়নের তারাপাল্লা গ্রামে। আবদুল কাদের ওই গ্রামের আবদুর রবের ছেলে। আবদুল কাদেরের স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। তার একটি কন্যাও প্রতিবন্ধি। বাবা-মেয়ে দুইজনেই পাচ্ছেন প্রতিবন্ধি ভাতা।
দ্বারে দ্বারে বিচার চেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েন আবদুল কাদেরের স্ত্রী ও পরিবার। উপায়ন্ত না পেয়ে গত ৫ জুলাই চাঁদপুর বিজ্ঞ বিচারক আমলী আদালতে পাঁচজনকে চিহ্নিত করে মামলা দায়ের করেন আবদুল কাদের স্ত্রী সীমা বেগম।


মামলায় অভিযুক্তরা হলো কালচোঁ উত্তর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড তারাপাল্লা গ্রামের শাহজাহান ছৈয়াল, ইউসুফ রাঢ়ী, শহীদ ছৈয়াল, অলি উল্ল্যাহ ছৈয়াল ও আনু ছৈয়াল।
বৃহস্পতিবার সরজমিনে গেলে ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরে সুষ্ঠু বিচার চান আবদুল কাদেরে ভাই ও স্ত্রী। তবে এই ঘটনায় এলাকার আরো কয়েকজন জড়িত ছিল বলে তারা দাবী করে পপুলার বিডিনিউজকে জানান, ঘটনায় জড়িত জাহাঙ্গীর আলমসহ আরো কয়েকজন বাড়ীতে এসে ক্ষমা চেয়ে গেছেন। তাই তাদের নাম অভিযোগে দেয়া হয়নি।
এদিকে মামলায় অভিযুক্ত ইউসুফ রাঢ়ী এই ঘটনায় জড়িত নন বলে দাবী করে বলেন, গত এক মাস ধরে এলাকায় আবদুল কাদেরের সাথে ঘটনার গুঞ্জন চলছিল। তখন তার নাম উঠেনি। এখন মামলায় প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্রভাবে অন্যের নাম বাদ দিয়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. মানিক হোসেন প্রধানীয়া পপুলার বিডিনিউজকে বলেন, আবদুল কাদেরের সরলতার সুযোগে যারা এমন অপকর্ম করেছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ তাদের দৃষ্ট্রান্ত মুলক শাস্তি হোক।
পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।








