
জীবন যুদ্ধে কচুয়ার মৃৎশিল্পীরা


চাঁদপুরের কচুয়ায় আধুনিকতা ছোঁয়া মৃৎশিল্পের জায়গায় দখল করে নিয়েছে নানা রকম সামগ্রী। ফলে চাহিদা কম কাচাঁমালের দাম বৃদ্ধি আর মুলধনের অভাবে বিলুপ্তির পথে প্রাচীন এ ঐতিহ্য। আধুনিকতার ছোয়া ও কালের বির্বতনে হারিয়ে যাচ্ছে কচুয়া থেকে মৃৎশিল্প। বাপ দাদার ঐতিহ্য এই শিল্প এখন বিলুপ্তির পথে। এসব কর্ম হারিয়ে এখন অনেক কারিগড়রা বেচে নিচ্ছেন অন্য পেশায়।
দিন যতই যাচ্ছে, ততই বাড়ছে আধুনিকতা। আর এই আধুনিকতা বাড়ার সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরি শিল্পপণ্যগুলো। এক সময় মাটির তৈরি তৈজসপত্রের প্রচুর ব্যবহার ছিল। সেই স্থান দখল করে নিয়েছে এলুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের তৈরি তৈজসপত্র।
আগের মতো মাটির তৈরী থালা, পাতিল, বাটনা, মাটির ব্যাংক, ঢাকনা, কলসিসহ বিভিন্ন তৈজসপত্রের তেমন কদর এখন আর নেই। ফলে অনেকে ঐতিহ্যবাহী পেশা বাদ দিয়ে অন্য পেশায় যুক্ত হয়েছে।


কচুয়া উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, সারা উপজেলায় এক সময় ৮টির বেশি গ্রামে মাটির তৈজসপত্র তৈরী করা হতো কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় বিলুপ্ত হয়ে এখন তা এসে দাড়িয়েছে মাত্র ২/৩টি গ্রামে। বর্তমানে প্রায় ২৫টি পরিবারের এ পেশার সাথে জড়িত।
তুলপাই গ্রামের কুমার বাড়ির কারিগর সিধারাম ও শংকর বলেন, এক সময় এখানকার মাটির তৈরি পন্য দিয়ে বিভিন্ন জেলার তৈজসপন্যের চাহিদা পূরন হতো। বর্তমানে কাচাঁমালের দাম বৃদ্ধি আর মুলধনের অভাবে বর্তমানে এ শিল্প বিলুপ্তির পথে। ফলে পরিবেশ বান্ধব এ ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি সহযোগিতা চান কারিগররা।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, কারিগরদের বিভিন্ন প্রশিক্ষনের মাধ্যমে এ পেশায় উন্নয়ন সম্ভব। পাশাপাশি মৃৎ শিল্প রক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আবারো উজ্জীবিত হতে পারে মৃৎ শিল্প।



























