
কড়ইয়া সার্বজনীন শ্রী শ্রী জোরা রক্ষা কালি মন্দিরে বিবাহ কাজ শুরু


কচুয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কড়ইয়া গ্রামের সার্বজনীন শ্রী শ্রী জোরা রক্ষা কালি মন্দিরে সর্ব প্রথম হিন্দু সম্প্রদায়ের বিবাহ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। কচুয়া পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ফনিভূষণ মজুমদার তাপুর উদ্যোগে এই বিবাহ কাজ সম্পন্ন হয়।
বিবাহ কাজে ঢাক ঢোল ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী পুরুহীত মন্ত্র পাঠে মালা চন্দন করে,সিধুর দানের মধ্যে দিয়ে ও বিভিন্ন আলৌকসজ্জায় সাজিয়ে বর পক্ষ কনে পক্ষ সকল আত্মীয় স্বজনরা উপস্থিতিতে আনন্দঘন ও উৎসব মূখর পরিবেশে এর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
এই সময় কড়ইয়া গ্রামের সকল সনাতনী সমাজের লোকজনরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কড়ইয়া সার্বজনীন শ্রী শ্রী হরি মন্দির কমিটির সভাপতি বাবু রিপন পাল, সোহাগ মজুমদার,রিপন দেব,উজ্জ্বল ধর, বিজয় কৃষ্ণ মজুমদার,চাঁদপুর জেলা মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক ও কচুয়া উপজেলা জাগো হিন্দু পরিষদের আহবায়ক শান্তুু ধর সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।গতকাল রবিবার বুধুণী লগ্নে
বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন,বর পক্ষ লক্ষীপুর জেলার,লক্ষীপুর সদর উপজেলা বড়পাড়া,বড় বাড়ি পোঃ দওপাড়া,থানা চন্দ্রগঞ্জ।


বরের বাবা মৃত হরে কৃষ্ণ দে,মাতা জোসনা রানী দে এর দ্বিতীয় পুত্র শিপন চন্দ্র দে এর সাথে কনে পক্ষ-চাঁদপুর জেলার,কচুয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কড়ইয়া গ্রামের কনের বাবা মৃত রাবিন্দ্র চন্দ্র দে, মাতা লক্ষী রানী দে এর তৃতীয় কন্যা স্বপ্না রানী দে এর বিবাহ কাজ সম্পূর্ণ করা হয়।বিবাহ শেষে কচুয়া পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ফনিভূষণ মজুমদার তাপু বলেন,কচুয়াতে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোন মন্দিরে এই পর্যন্ত বিবাহ কাজ আনুষ্ঠানিক ভাবে হয়নি,তাই আমি এব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছি সর্বপ্রথম কচুয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কড়ইয়া গ্রামের সার্বজনীন শ্রী শ্রী জোরা রক্ষা কালি মন্দিরে এই বিবাহর মধ্যে দিয়ে এর শুভ উদ্বোধন করা হলো।
তিনি আরো বলেন,এখন থেকে যাদের বিবাহ জন্য জায়গা সল্পতায় থাকে তারা সকলে এই মন্দিরে এসে এর কার্যক্রম সম্পূর্ণ করতে পারবে।স্হানীয় রা জানান,এধরণের ভালো উদ্যোগের জন্য আমরা ফনিভূষণ মজুমদার তাপু কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি,সেই সাথে বলতে চাই অনেকে আছে তাদের ছেলে মেয়ে বিবাহের জন্য জায়গা সল্পতার জন্য করতে হিমসিম খাচ্ছে, তবে এখন থেকে কচুয়াতে একটি স্থান হয়েছে,যার মাধ্যমে মানুষ উপকৃত হবে, তাই আমরা সবাই এব্যাপারে খুবই খুশি।



























