
সেই শিশু আরাফাতকে তিন লাখ টাকা আর্থিক সহযোগিতা করলো ডাক্তার পরিবার

গত ৩ জানুয়ারী দুষ্টামি করতে গিয়ে ডান হাতের কনুই নিচের অংশের হাঁড় ভেঙ্গে যায় আরাফাতের। সে ফরিদঞ্জ উপজেলার ৫নং পূর্ব গুপ্টি ইউনিয়নের মানুরী নোয়া বাড়ির হাছানের ছেলে। শিশু আরাফাত স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
হাজীগঞ্জ বাজারের জান্নাত ফার্মেসীতে ডিপ্লোমা চিকিৎসক আলাউদ্দিন ও অভিজিৎ পোদ্দারের কাছে হাতের হাঁড় ভাঙ্গার চিকিৎসা করতে যায় শিশু আরাফাত।
রোববার সকালে এ বিষয়ে সমঝোতা বৈঠক হয়। ওইসময় উপস্থিত ছিলেন শিশু আরাফাতের বাবা হাছান মিয়া, ফারুক হোসেন, ডিপ্লোমা চিকিৎসক আলাউদ্দিন, অভিজিৎ পোদ্দার, কামরুজ্জামান ও ফার্মেসীর পরিচালক ফারুক হোসেন।


শিশুর বাবা হাছান মিয়া বলেন, ডাক্তারের পরিবারের পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা পেয়েছি। শিশু আরাফাতের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
ওইসময় উপস্থিত থাকা মানুরী গ্রামের বাসিন্দা ফারুক হোসেন বলেন, উভয়পক্ষকে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ডিপ্লোমা চিকিৎসক আলাউদ্দিন বলেন, শিশু আরাফাতের পাশে দাঁড়াতে পেরে কৃতজ্ঞ।
শিশুর বাবা হাছান ইটের ভাটার একজন শ্রমিক । চার ছেলের মধ্যে আরাফাত সবার ছোট। সে বাক-প্রতিবন্ধি।
প্রথমে আলাউদ্দিন ও অভিজিৎতের সহায়তায় প্লাস্টার করা হলেও পরদিন তা খুলে ফেলা হয়। এরপর মৈশাইদীর কবিরাজ সিরাজ মেম্বারের কাছে চিকিৎসার জন্য যায় শিশুর পরিবার। সেখানে শিশুর হাতের অবস্থার অবনতি হয়। পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যায়। ওইখানে দেড় মাস ধরে চিকিৎসা নিচ্ছে শিশু আরাফাত। ইতোমধ্যে তার অপারেশন সফল হয়। এরআগে ডান হাতের দুইটি আঙ্গুল কেটে ফেলা হয়েছে।


























