
পা ভেঙ্গে বিপাকে গোল কিপার হৃদয়


খেলতে গিয়ে আহত হওয়া চাঁদপুর জেলা অনুর্ধ ১৭ দলে ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা ফুটবল দলের হয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখা কৃতি ফুটবলার হৃদয়ের দু’চোখে আজ অন্ধকার। দুদিন পুর্বে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে গিয়ে তার পায়ের হাড় ভেঙে যায়। মারাত্মক আহত অবস্থায় তাকে
চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
তার পরিবারের সদস্য ও ফরিদগঞ্জ ষ্পোর্টস ক্লাবের আহবায়ক গিয়াস উদ্দীন জানান, চিকিৎসক বলেছেন হৃদয়কে আবার খেলায় ফিরতে হলে উচ্চ চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে অপারেশন করতে হবে। এতে তার সু-চিকিৎসার জন্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা প্রয়োজন। তার দরিদ্র বাবার এ টাকা যোগাড় করা সম্ভব না। ফলে দেশের ফুটবল অঙ্গনে অবদান রেখে চলা ফরিদগঞ্জের রেজাউল রেজা, রাফির মতো হয়ে উঠা অনেকটা ধূসর হৃদয়ের।
উল্লেখ্য, ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার শ্যামল দাসের ছেলে হৃদয় দাস এবছর এইএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু অর্নুধ্ব-১৭ বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টে খেলার জন্য বেশ কিছু সময় পড়ালেখা থেকে দুরে থাকায় সে পরীক্ষার ফরম পুরণ করতে পারে নি। তার পিতা বাঁশ দিয়ে কুলা তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে।


হৃদয় দাস স্কুল ফুটবলে বিভাগীয় পর্যায়ে এবং ফরিদগঞ্জ উপজেলার ক্রীড়া সংস্থার হয়ে জেলা ও উপজেলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলিক খেলায় কৃতিত্বের দাবীদার ফরিদগঞ্জ ষ্পোর্টস ক্লাবের নিয়মিত গোল কিপার মেধার স্বাক্ষর রেখেছে।
এব্যাপারে ফরিদগঞ্জ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নবী নোমান জানান, প্রতিভাবান এই গোলকিপার ফুটবলারকে সুস্থ করতে ক্রীড়া প্রেমীদের এগিয়ে আসতে হবে। নচেৎ শেষ হয়ে যাবে হৃদয়ের ভবিষ্যত।
ফরিদগঞ্জ ষ্পোর্টস ক্লাবের মাধ্যমে ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিত্তশালীদের কাছে হৃদয়ের সু-চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছে তার পরিবার ও সংগঠনটি। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জিয়া – ০১৭১৭৭৩৯৪৭২ ও আহবায়ক গিয়াস উদ্দীন- ০১৮১৮৯৩৩১৭৮ এই দুটি বিকাশ নাম্বারে সহায়তাকারীদের পরিচয় দিয়ে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন তার হৃদয়ের বাবা ও সংগঠনটি।




























