
মানিব্যাগে স্ত্রীর ছবি দেখে সন্তানের লাশ শনাক্ত করলো সাংবাদিক


খবরের সন্ধানে ছুটেচলা সাংবাদিক। পেশা আর নেশা হোক কত লাশের খবরই না লিখতে হয়েছে। যেতে হয়েছে ঘটনাস্থলে। নিয়তির পরিহাসে সেই সাংবাদিক নিজের সন্তানের লাশ দেখে দারস্থ হলো সহকর্মীদের কাছে। দৈনিক ইত্তেফাকের শাহরাস্তি উপজেলা প্রতিনিধি মো. জসিম উদ্দিন। তার বড় ছেলে মোঃ রিমন হোসেন জনি। সে সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজের একাদ্বশ শ্রেণীর ছাত্র। শনিবার বিকালে শাহরাস্তি উপজেলার শোরশাক ইব্রাহীম মিজি বাড়ীর ডোবায় ভেসে উঠে তার মৃতদেহ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,
মৃতদেহ দেখে শনাক্ত করা মুশকিল হয়ে পড়ে পুলিশ ও পরিবারের। একপর্যায়ে একটি মানিব্যাগ উদ্ধার হয়। সেই মানিব্যাগের ভিতর মায়ের ছবি ও চেয়ারম্যান সাটিফির্কেট। তা দেখে বাবা জসিম উদ্দিন ও বোন রিসনাত জাহান শনাক্ত করেন কলেজ ছাত্র রিমন হোসেন জনির মৃতদেহ।


১৮ দিন ধরে নিখোঁজ ছিল রিমন। গত ২রা নভেম্বর সকালে বাড়ি থেকে বের হয়। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তারপর আর খোঁজ মিলেনি। ১৮ দিন পর খোঁজ মিললো রিমনের গলিত নিথর দেহ।
শাহরাস্তি থানা আফিসার ইনচার্জ আবদুল মান্নান ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিক মো. জসিম উদ্দিন ও তার পরিবারকে সমবেদনা জানান। পপুলার বিডিনিউজ, শাহরাস্তি, চাঁদপুর।


























