
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অসহায় রিয়াদ-মুশফিকরা



বাংলাদেশের এখন কাগজে কলমেও কোনও সম্ভাবনা নেই বিশ্বকাপে কোনও অগ্রগতি করার।
আর দক্ষিণ আফ্রিকা এখন অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার সাথে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আছে।
ম্যাচ বিশ্লেষণ
বাংলাদেশ এরচেয়ে খারাপ ব্যাটিং আর কোনও ম্যাচেই করেনি। কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নরকিয়া তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন।
সৌম্য সরকার, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম এবং আফিফ যেভাবে আউট হয়েছেন তাতে মনে হয়েছে তারা গতি সামলাতে পারেননি।
মোহাম্মদ নাইম শেখ রাবাদার বল পায়ে আসা বলে রিজা হেনড্রিকসের হাতে তুলে দিয়েছেন।
এরপরের বলেই সৌম্য সরকার প্রথম বলেই ব্যাট নামানোর আগেই রাবাদার বল জুতায় লাগে, গোল্ডেন ডাক হয়ে ফিরে যান তিনি প্যাভিলিয়নে।
কাগিসো রাবাদা নিজের পরের ওভারে হ্যাটট্রিক করতে না পারলেও তৃতীয় বলেই মুশফিকুর রহিমকে আউট করেন। স্লিপে সহজ ক্যাচ দেন।

ছবির উৎস,GARETH COPLEY-ICC
উইকেটে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ টিকেছিলেন নয় বল। কিন্তু তার ব্যাটিং দেখে মনে হলো তিনি ক্রিজে স্বস্তিতে ছিলেন না। দুইবার ক্যাচ তুলে দেন, শেষ পর্যন্ত নরকিয়ার বলে এইডেন মারকরামের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরে যান।
অনেকটা টেইলেন্ডারদের মতো ব্যাট চালিয়েছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
আফিফ হোসেনও সৌম্য সরকারের মতো গোল্ডেন ডাক অর্থাৎ প্রথম বলেই আউট হয়ে যান। প্রিটোরিয়াসের লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে পিচ করা বল মারতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান আফিফ হোসেন।
এরপর শামিম হোসেন ১১ এবং শেখ মেহেদি ২৭ রান তোলেন।
বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৮৪ রান তোলে।
দক্ষিণ আফ্রিকা ছয় ওভার তিন বল এবং ছয় উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ চিতে নিয়েছে।
১৮ রান দিয়ে দু’টি উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের তাসকিন আহমেদ।
বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ একটির বেশি ম্যাচ জয়ের কথা বলেছিলেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত চার ম্যাচ খেলে সবকয়টি হেরে গেছে বাংলাদেশ।





























