
ছাত্রলীগের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত


যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে হাজীগঞ্জ পৌর ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ।
রবিবার দুপুরে খাটরা-বিলওয়াই জামে মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
পৌর ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি বোরহান মুন্সীর সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মুন্সির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদু, ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবলীগের সদস্য সুমন তালুকদার, সবুজ সর্দার, পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইকবাল বাহার চৌধুরী, ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য নাসির পাটোয়ারী, শাহ্ আলম গাজী, মহিম উদ্দিন সায়েম, ইমন মাহমুদ, এমরান মুন্সী,শাহ আলম খাঁন, শামসুর রহমান শুভ, সাব্বির, সোহাগ চমক, রিপন খাঁন, সবুজ কাজী, গোলাম রাব্বি, অভি প্রমুখ।


ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মুন্সি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন বলেই আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি, একটি পতাকা পেয়েছি। আমরা সকলে মিলে বঙ্গবন্ধু হত্যার সকল আসামিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমরা আওয়ামীলীগ সদা প্রস্তুত।
ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি বোরহান মুন্সী বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।
আগস্ট মাস এলেই মনে পড়ে যায় সেই ভয়াবহ স্মৃতি, যা আমাদের বেদনার্ত করে তোলে। স্বাধীন বাংলার মাটিতেই তাকে নির্মমভাবে জীবন দিতে হয়েছে।
আলোচনা সভা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ, জাতীয় চার নেতাসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সকল শহীদদেরকে স্মরণ করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুসহ নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা জাকির হোসেন।



























