
হাজীগঞ্জে ফেসবুকে আত্মহত্যার স্ট্যাটাস দিয়ে নিখোঁজ যুবক
Link Copied Successfully!

ফেসবুকে আত্মহত্যার আবেগঘন র্দীঘ স্ট্যাটাস দিয়ে এক যুবক নিখোঁজ রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ যুবক তার ফেসবুকে কেন সে আত্মহত্যা করতে চায় সে ব্যাপারে র্দীঘ একটি র্দীঘ স্ট্যাটাস দেয়। স্ট্যাটাসে তার আত্মহত্যার জন্য সেলিনা নামে এক নারী ও তার ভাই দায়ী থাকবে বলে উল্লেখ করেন। নিখোঁজ যুবকের পরিবার সারারাত খোঁজাখোজি করে কোথায়ও না পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে হাজীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করে।
নিখোঁজ যুবক হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের আড়ুলী বেপারী বাড়ির মো. হূমায়ন আহমেদ এর ছেলে মো. রাশেদুজ্জামান (২৫)। সে হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজে ডিগ্রী শেষ বর্ষের ছাত্র। রাশেদুজ্জামান তার ফেসবুকের স্ট্যাটাসটিতে উল্লেখ করেন, মানুষ কেন সুন্দর জীবন থাকতে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেয়। আজ নিজ থেকে শিক্ষা নিলাম। আমরা হয়তো আত্মহত্যাকারীর বাহির দেখে বলি , সে আত্মহত্যা করলো! কিন্তু ভিতরটা কেউ দেখেনা। নিখোঁজ যুবক রাশেদুজ্জামান তাঁর স্ট্যাটাসের নিচের অংশে লেখেন, এই পৃথিবী আমার মত নিঃস্বার্থ রাশেদের নয়। এই পৃথিবী তদের মতো মিথ্যাবাদি, প্রতারক, ঠকবাজদের জন্য। প্রতিটি মুহূর্তে নিজের কাছে নিজেকে ঘৃণিত মনে হচ্ছে, সবাই ভালো থাকুন। সবার কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থী। আমার মৃত্যুর জন্য এই ছেলে (স্ট্যাটাসে একটি যুবকের ছবি দেওয়া আছে ) এবং তার বোন সেলিনা দায়ী থাকবে। স্ট্যাটাসটি র্দীঘ হওয়ায় পুরোটা তুলে ধরা সম্ভব হয়নি।

হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) হারুনুর রশীদ পপুলারবিডি নিউজকে বলেন, নিখোঁজ যুবকের বাবা হাজীগঞ্জ থানা একটি সাধারণ ডায়রী করেছে। নিখোঁজ যুবককে খুঁজে বের করতে পুলিশ কাজ করছে।ৎ
রাশেদুজ্জামানের বন্ধু আল ফোরকান পপুলারবিডি নিউজকে বলেন, রাশেদ সোমবার সন্ধ্যা থেকেই নিখোঁজ। রাতে তাঁর ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেখতে পাই। স্ট্যাটাসে সে আত্মহত্যা করবে এবং আত্মহত্যার কারণও লিখে। আমরা সারারাত বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখোজি করি। কিন্তু এখনো রাশদকে কোথায়ও খুঁজে পাচ্ছিনা।
H/N




























