
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭০ টি পদ শুণ্য, নেই এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার!


হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স আছে কিন্তু ড্রাইভার নেই। পরামর্শক চিকিৎসকসহ ৭০ টি গুরুত্বপূর্ণ পদ শুণ্য রয়েছে।
জানা গেছে, ২০১৬ সাল থেকে এ হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভারের পদটি শুণ্য রয়েছে। ৫ বছর যাবৎ ড্রাইভার না থাকায় এ্যাম্বুলেন্সটি পড়ে আছে। দূর দুরান্ত থেকে আসা রোগীর ভোগান্তি চরমে। জরুরী রোগীরা পড়ছে বিপাকে। এদিকে কনসালটেন্ট, চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিসিয়ানসহ হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের ৭০ টি পদ শুণ্য রয়েছে।
জানা যায়, চিকিৎসকের ২১ টি পদের মধ্যে ডেন্টাল সার্জনসহ ৭ টি পদ শুণ্য। ২৯ জন নার্সের মধ্যে ৬ জন ও ল্যাব ইসিজির ৩ জনসহ মোট ৭০ টি পদ শুণ্য থাকায় চিকিৎসা সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। এ ছাড়া সাপের কামড়ে আহতদের চিকিৎসাও হচ্ছেনা। এখানে সাপে কামড়ালে যে পরামর্শক বা চিকিৎসক থাকা প্রয়োজন সে পদে কোন জনবল না থাকায় সাপে কামড়ানো রোগীকেও ওই ভ্যাকসিন দেয়া সম্ভব হয়ে উঠে না।


হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শোয়েব আহমদ চিশতী পপুলার বিডিনিউজকে বলেন, ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন ভর্তি থাকে ২০/৩০ জন। নিয়মিত বহি:বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছে প্রায় ২/ ৩ শ রোগী। সে ক্ষেত্রে এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারর সহ অন্যান্য শুণ্যপদ পূরণ করা জরুরী। এতে সেবার মান বাড়ানো সম্ভব। তবে ইদানিং জ্বর সর্দির রোগীর সংখ্যা বেশি এ ক্ষেত্রে কিছুটা হিমশিম খেতে হয়।


























