
কারাগারে পাঠানো হলো ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে, পলাতক ১৩ জনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ


আজ বুধবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে তাদের বিরুদ্ধে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে গুমের মামলায় পলাতক ১৩ আসামিকে এক সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গুমের ঘটনার মামলায় অভিযুক্ত ১৩ সেনা কর্মকর্তা ও হত্যা মামলায় অভিযুক্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আজ বুধবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে তাদের বিরুদ্ধে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে গুমের মামলায় পলাতক ১৩ আসামিকে এক সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


এরআগে সকালে বিশেষ প্রিজন ভ্যানে তাদের রাজধানীর পুরাতন হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে। তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ওপর শুনানি জন্য ট্রাইব্যুনাল তাদের হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আগেই।
সেনা কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা উপলক্ষে নেওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ট্রাইব্যুনালের আশপাশে আইন–শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান করছে। পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা টহল দিচ্ছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের মাধ্যমে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হয়েছে দুটি মামলা। আর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় হয়েছে একটি মামলা।
এসব মামলায় সাবেক ও বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জন আসামি। তাঁদের মধ্যে ১৫ সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন সেনা হেফাজতে। তাদের আজ হাজির করা হয়।
গত ৮ অক্টোবর গুমের দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ডিজিএফআইয়ের সাবেক ৫ মহাপরিচালকসহ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন



























