
সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই রাজনৈতিক ও মানবিক অঙ্গীকার: মিজানুর রহমান লিটন


চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহারাস্তি) অঞ্চলের রাজনীতির মঞ্চে তিনি এক অনন্য নাম। ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক মিজানুর রহমান লিটন। রাজনীতিকে তিনি কখনও ক্ষমতা বা প্রভাবের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেননি; বরং দেখিয়েছেন—এটি হতে পারে মানবতার সেবায় নিবেদিত এক পবিত্র অঙ্গীকার।
গেল ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রবিবার বাদ জোহর হাজীগঞ্জের ঐতিহাসিক বড় মসজিদ কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন দৃশ্যের সাক্ষী হলো হাজীগঞ্জবাসী। মিজানুর রহমান লিটন তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে তিন শতাধিক অসহায়-দুস্থ মানুষের হাতে তুলে দিলেন খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা। ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে যখন খাবারের প্যাকেট পৌঁছাল, তখন মসজিদ প্রাঙ্গণ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল মানবিকতার উষ্ণ আবহ।
লিটন নিজেই বললেন, “সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনৈতিক ও মানবিক অঙ্গীকার।”


একজন বৃদ্ধ এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আমাদের দুঃসময়ে লিটন সাহেব সবসময় পাশে থাকেন। এমন মানুষ এখন খুব বিরল।”
সামাজিক সেবায় মিজানুর রহমান লিটন কখনও প্রচারের পেছনে ছুটেন না। নীরবে, নিবৃত্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার স্বভাব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো কিংবা দুর্যোগ—প্রতিটি সংকটেই হাজীগঞ্জ-শাহারাস্তির সাধারণ মানুষ তাকে পেয়েছেন অভয় ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে।
করোনাকালীন দুর্যোগে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় তিনি সবার আগে মাঠে নেমে অসহায় মানুষের মাঝে সুরক্ষাসামগ্রী ও খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। পাশাপাশি বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে মামলার ব্যয়ভার বহন করেছেন।
কৃষকদের দুর্দশার কথাও তিনি ভুলে যাননি। খাল খননের অভাবে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পক্ষে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।


























