
কোরআন শরীফ নিয়ে শ্মশানে যাওয়া বশিরকে পাঠানো হচ্ছে পাবনা
Link Copied Successfully!

হাজীগঞ্জ পৌর শ্মশানে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টায় ব্যাগের ভিতর কোরআন শরীফ নিয়ে যায় মানুষিক ভারসাম্যহীন বশির। বশির হাজীগঞ্জ উপজেলার ৮নং হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের বেলঘর গ্রামের বাসিন্দা।
পপুলার বিডিনিউজকে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে অফিসার ইনচার্জ জোবাইর সৈয়দ জানান, আটককৃত বশির মানুষিক ভারসাম্যহীন। তাকে পাবনা মানুষিক হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এছাড়াও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত কাজ চলছে। ইতোমধ্যে হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যেক শ্মশানে সিসি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার সকালে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ হাজীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আলোচনায় বসেন। সেখানে হাজীগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ সার্কেল সোহাল মাহমুদ ও অফিসার ইনচার্জ জোবাইর সৈয়দ জানান, আটককৃত বশিরের পরিবার নিয়মিত প্রতিবন্ধি ভাতা পাচ্ছেন । তাকে চট্টগ্রাম ও নাঙ্গলকোটের হাসপাতালে একাধিকবার চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল। দশ ঘন্টার মধ্যের তার সকল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।
পুলিশ আরো জানান, হাজীগঞ্জ উপজেলা সম্প্রীতির বন্ধন বজায় রাখতে সবসময় সকলের সহযোগী ছিল। আগামীতেও থাকবে। প্রাথমিকভাবে বশিরকে পাবনা মানুষিক হাসপাতালে প্রেরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও তদন্ত কাজ অব্যাহত থাকবে।
হাজীগঞ্জ পৌর কাউন্সিলর সুমন তপদার জানান, বিষয়টি জেনে তাৎক্ষণিক পুলিশ প্রশাসনের স্বরণাপন্ন হয়েছি। পরে পুলিশ বশির নামের ব্যাক্তিকে থানায় নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশকে খবর দেয়া সুমন চৌধুরী জানান,‘দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ওই ব্যাক্তির তথ্য-উপাত্ত বের করতে সক্ষম হয়েছে। বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম আমরা।’



























