
তিন পরিবারকে স্প্রে করে লুট করে নিলো স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা


প্রতিরাতের মতোই সবাই ঘুমিয়ে পড়লো। রাত তিনটার দিকে একজনের আঁচ পেলো। ততক্ষণে সব লুটে নিলো দূর্বৃত্তরা। ঘটনাটি হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০ নং গন্ধর্ব্যপুর ইউনিয়নের পাঁচৈ পাটোয়ারী বাড়ীতে। ওই বাড়ীর তিন পরিবারে অন্তত দশ জন অচেতন হয়ে পড়েন। সাতজনকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে তিন পরিবারের নারী-পুরুষ- শিশু সবাই হাসপাতে ভর্তি।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি হওয়া কয়েকজন পপুলার বিডিনিউজকে জানান, ৩ নভেম্বর বুধবার দিবাগত রাতে তাদের তিন পরিবারের প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ও দশ ভরি স্বর্ণ লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা।


আহতরা হলেন, মো. সবুজ, তার স্ত্রী সাইফুর নেছা, মেয়ে ফিরোজা আক্তার বিথী, কানিজ ফাতেমা, ছেলে সাইফুল ইসলাম ও নাহিয়ান। তাদেরকে অচেতন করে ৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২ লাখ টাকা লুট হয়। একই বাড়ীর মহিনউদ্দিন, তার স্ত্রী ও সন্তানকে অচেতন করে। তাদের ঘর থেকে ৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে গেছে। নেয়। একই বাড়ির আব্বাস মজুমদার ও তার বৃদ্ধ মা মোহছেনা বেগম অচেতন হয়ে পড়েন। তাদেরও নগদ টাকা ও স্বর্ণ লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার সকালে খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানা উপ-পরিদর্শক আজিজ অসুস্থ অবস্থা সবাইকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করে। তবে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশীদ।
হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক শামসুল আরেফিন বলেন, এমন স্প্রের ব্যবহার হাজীগঞ্জে প্রথম। এসব ঘটনায় চব্বিশ ঘন্টা পর বুঝা যাবে অসুস্থদের শারিরীক অবস্থা।


























