
কচুয়া সম্পত্তি জবর দখলের চেস্টা, আদালতে মামলা


কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের নাছিরপুর গ্রামের কুদ্দুস তালুকদার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদপুর আদালতে হাবিবুর রহমান গংদের বিরুদ্ধে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনে (১৪৫) ধারা বিধানে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। যাহার নং-৯৯৩/২০২১ ইং। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য কচুয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে পাঠালে বুধবার কচুয়া সদর ও কড়ইয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আশ্রাফ সরজমিনে এসে উভয় পক্ষকে ডেকে কাগজপত্র সংগ্রহ করেন এবং স্থানীয় লোকজনদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নেন।
মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত অভিযোগে প্রকাশ নালিশী সম্পত্তি ২২৪নং নাছিরপুর মৌজার ১৫৬নং খতিয়ানভুক্ত সাবেক দাগ ৩৭৫, বি,এস,মাঠ জরিপ খতিয়ান নং-১১৬০/১১৬১, দাগ নং-২৪৪২ দাগে ২৪ শতক এবং সাবেক দাগ নং-৪০১ বি,এস মাঠ জরিপ খতিয়ান ১১৮৫,দাগ নং-২৫৩৯ সঠিক ও শুদ্ধভাবে রেকর্ড হওয়ার পর প্রার্থীর পিতা মরহুম ইসমাইল তালুকদার গ্রহীতা হয়ে বিগত ০৯/০৬/৯২ইং তারিখে মোঃ সমসের আলী, মোঃ মোবারক আলী দাতার নিকট থেকে কচুয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাবকবলা দলিল নং-৫৬৬৪ দলিল মূলে প্রার্থীর পিতা ও সাক্ষীগণের পক্ষে মালিক দখলদার থেকে জমাখারিজ মোকদ্দমা নং-২৩০৯/২০০৭- ২০০৮ খারিজ খতিয়ান নং-৩০০ দাগ নং-৩৭৫/৪০১ দাগ সঠিক ও শুদ্ধভাবে সৃজন করে শান্তিপূর্ণ থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষগণ নালিশী ভূমির প্রতি লোভাতুর হয়ে জবর দখল করতে চায় এবং অন্যের নিকট বিক্রি করে দেবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি-দুমকি দিয়ে গত ২০/০৮/২০২১ ইং তারিখের সকাল আনুমানিক ৮টা ১০মিঃ সময়ে প্রতিপক্ষগন আগন্তক আরো ৪/৫ জন প্রতিপক্ষসহ নালিশী ভূমিতে প্রবেশ করে জবর দখলের চেস্টা চালায় এবং বিভিন্ন হুমকি-দুমকি প্রদর্শন করলে কুদ্দুস এ মোকদ্দমা দায়ের করে।
প্রতিপক্ষ হাবিবুর রহমান গং জানান, রজ্জব আলী ১৩৯ নং খতিয়ানে ৫টি দাগে মোট ৬ একর ১৩ শতাংশের মালিক। যাহাতে আমিনউদ্দিন প্রধানিয়া ৪.৩৩ একর মালিক থাকিয়া ৩৭৫ দাগের ৩ একর ১৩শতাংশ ভিটি ৩ পুত্রের মধ্যে ১৯৮২ সালে ৯৫৬০/৯৫৬১ ও ৯৫৬৩ নং দলিল মূলে হেবা করে দেন।


অবশিষ্ট ৩৪১ নং দাগে ৬৫ শতক ৩৯৯ নং দাগে ৬৩ শতাংশ
৪০১ দাগে ৩৫ শতাংশ ৪৪৮ দাগে ১৩৭ শতাংশ মোট= ৩ একর সম্পত্তি হতে বোনের অংশ ২ একর ৪শতাংশ পাবে এবং বোনের ওয়ারিশ গনের কাছ থেকে প্রাপ্ত দলিলে বোন ভাইকে মৌখিকভাবে নিদাবি প্রদান করেছে।১৯৮২ সালের হেবা দলিলের উপর ১৯৯২ সালে ওয়ারিশ গনের কাছ থেকে গোপনে দলিল করার কারনে মামলা মোকদ্দমার সৃষ্টি হয় এবং আমিনউদ্দিনের ওয়ারিশগন ১৯৯৬ সালে ১৪৪ ধারার মামলা করলে রায় নিজ পক্ষে প্রাপ্ত হয়। যাহার রায়কৃত মামলা নং ১৩৬/৯৫ তাং ২১/০১/৯৬ ইং। এ রায় মামলার বিপরীতে কুদ্দুস গং বিগত ২৫ বছরেও কোন আপিল বা অন্য কোনো মামলা করে নাই। কুদ্দুসের ওই মোকদ্দমার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাবিবুর রহমান গং।
কুদ্দুস ওই সহকারী ভূমি কর্মকর্তার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতের কাছে ন্যায় বিচার পাওয়ার প্রার্থনা করেছে।
E/N



























