
কচুয়ায় মৎস্যচাষী ব্যবসায়ীদের তান্ডবে হুমকির মুখে কৃষি জমি ও জনপথ


চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় একদিকে নিষিদ্ধ ড্রেইজারের তান্ডব লীলার উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকলেও অন্যদিকে মৎসচাষী ব্যবসায়ীদের তান্ডব লীলায় চাষাবাদী জমি এবং জনপথ সড়ক হুমকির মুখে। মৎস্য চাষীরা জমির মালিকদেরকে কিছু মুনাফা বাড়িয়ে দিয়ে বছরের পর বছর ভাড়া নিয়ে নিয়ম নীতির কোনো তোয়াক্কা না করে জনপথ ও বড় বড় সড়কের পাশে পাঁড় না বেঁধে সাধারনত ছোট ছোট বালির বস্তা এবং নেটজালীর বেঁড়ি দিলেও রক্ষা পাচ্ছেনা সড়কের কিনার। কোনো কোনো সড়কের পাশ ভেঙ্গে পড়ার দৃশ্যও দেখা গেছে, যে কোনো মূহুর্তে বড় ধরনের ভাঙ্গন সৃষ্টি হতে পারে বলেও মানুষ আশংকা করছে।
সরজমিনে প্রশাসনের নাকের ডগায় কালিয়াপাড়া কচুয়া সড়কের নোয়াগাঁও বাসষ্টেশনের পশ্চিম ব্রীজের দক্ষিন পাশ থেকে পূর্ব দিকে আমিরের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১কিঃ মিঃ মহিন নামে ৪টি উপজেলার সবচেয়ে বড় মৎস্য চাষী পাঁড় না বেঁধে সাধারনত বালির বস্তা ও নেট জাল ব্যবহারের মধ্যে মৎস্য চাষ করে যাচ্ছে। মহিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান, আগামী দেড় মাস পর পানি সেঁচে নতুন করে পাড় বাঁধবে এবং তিনি আরো জানান, কচুয়া,হাজীগঞ্জ, বরুড়া ও চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৭’শ একর জমি কৃষিকদের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে মৎস্য চাষ করে আসছে। এছাড়াও এর পাশে পালগিরী শানে মদিনা মসজিদের পশ্চিম উত্তর পাশে ৯ একরের একটি বিশাল কৃষি জমির মাঠ অর্পি নামে একটি সামাজিক সংগঠন ভাড়া নিয়ে একই ভাবে বালির বস্তা ও নেটজাল দিয়ো মৎস্য চাষ করে আসছে। এতে করে ওই সড়কের উপর কিনার অংশে ভেঙ্গে পড়ার দৃশ্য লক্ষ করা গেছে। এ সামাজিক সংগঠনের পরিচালক হুমায়ন কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা জনতাম না মৎস্য চাষ করলে সড়কের পাশে বেঁড়ি দিতে হয়। মৎস্য কর্মকর্তার কথা জিজ্ঞেস করলে জানান, তিনিও আমাদের প্রজেক্টে এসেছে বেঁড়ী বাঁধের নিয়ম বিধির কথা বলেনি।
উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,সকল মৎস্য চাষীদেরকে বলে দেয়া হয়েছে সরকারের নিয়ম বিধি মেনে মাছ চাষ করার জন্য।


E/N



























