
হাজীগঞ্জে অক্সিজেন রিফিল সেবায় এগিয়ে আসলেন লিটন ও ইউনুছ


হাজীগঞ্জ উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোর অক্সিজেন সিলিন্ডার রিফিল করতে একদিনের খরচা বহন করবেন দুই ব্যক্তি। তাঁরা হলেন হাজীগঞ্জ বাজারের গাউছিয়া হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট এন্ড চাইনিজের সত্ত্বাধিকারী কাউছার হোসেন লিটন ও সৌদি প্রবাসী হাজীগঞ্জ উপজেলার গোপালখোঁড় এলাকার ইউনুছ ভূঁইয়া।
সোমবার তারা দুইজন যৌথ উদ্যোগে হাজীগঞ্জ উপজেলার সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর অক্সিজেন সিলিন্ডার রিফিল করতে খরচাবহন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে সৌদি প্রবাসী ইউনুছ ভূঁইয়া রিফিলের জন্য ট্রাকের ভাড়া এবং কাউছার হোসেন লিটন রিফিলের খরচ বহন করবেন বলে নিশ্চিত করেন।
করোনার এই মহামারিতে সবচেয়ে বড় সংকট অক্সিজেন সেবা। এমন সেবা দিতে হাজীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ২০-২৫টি সংগঠন রয়েছে। আর সংগঠনগুলো অক্সিজেন সিলিন্ডার রিফিল সংকটে পড়েন। পপুলার স্বেচ্ছাসেবী টিমের সমন্বয়ক মনিরুজ্জামান বাবলুর ব্যবস্থাপনায় সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পরামর্শে স্বল্প খরচে চট্টগ্রাম থেকে রিফিল করানোর উদ্যোগ নেয়।


পপুলার সেচ্ছাসেবী টিম ও হাজীগঞ্জ উপজেলার সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে মানবিক সেবায় এগিয়ে আসায় হাজীগঞ্জ বাজারের গাউছিয়া হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট এন্ড চাইনিজের সত্ত্বাধিকারী কাউছার হোসেন লিটন ও সৌদি প্রবাসী হাজীগঞ্জ উপজেলার গোপালখোঁড় এলাকার ইউনুছ ভূঁইয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে পপুলার স্বেচ্ছাসেবী টিমের সমন্বয়ক মনিরুজ্জামান বাবলু বলেন, প্রথমবার আমেরিকা প্রবাসী জালাল উদ্দীন রুমী অক্সিজেন সিলিন্ডার রিফিলের খরচা বহন করেন। দ্বিতীয় বারের মতো আলহাজ্ব মো. হেলাল উদ্দিন মিয়াজী খরচা বহন করেন। তৃতীয়বারের মতো হাজীগঞ্জ বাজারের হলুদ পট্টির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মো. আবদুল কাদের ও দলিল লেখক হাজী মো.বিল্লাল হোসেন।


























