
হাজীগঞ্জে গ্রামে করোনা শনাক্ত বেশি, শহরে বেশি মৃত্যু


সারাদেশে করোনা আতঙ্ক। চলছে লকডাউন। কঠোর লকডাউনের প্রথম সাতদিন শেষ। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে লকডাউনের দ্বিতীয় সপ্তাহ। চাঁদপুর জেলায় আটটি উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের হার। উপজেলা পর্যায়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
৮ জুলাই পর্যন্ত পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, হাজীগঞ্জ উপজেলায় ৫২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৪৬০ জন। চিকিৎসাধীন রয়েছে ৪৪ জন কারোনা রোগী। এ পর্যন্ত হাজীগঞ্জ উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৭ জন। যারা মারা গেছেন, তারা সবাই করোনার প্রথম ঢেউয়ে মারা যান।
হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নেয়া তথ্যানুযায়ী গত সাত দিনের নমুনা সংগ্রহে লকডাউনের প্রথম দিনে নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৯ জনের, ৩ জুলাই ৬ জনের, ৫ জুলাই ১২ জনের, ৭ জুলাই ১৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।


অন্যদিকে গত সাতদিনে করোনা শনাক্তের হিসাবনুযায়ী, ৩০ জুন ৮ জন, ২জুলাই ৯ জন, ৪ জুলাই ৩ জন, ৬ জুলাই ৬ জন, ৭ জুলাই ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ৪০ জনের মধ্যে ১৬ জন হাজীগঞ্জ পৌরসভার বাসিন্দা। পৌরসভার মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ, ৪নং ও ৫নং ওয়ার্ড মকিমাবাদে।
করোনার শুরুতে শহরে আক্রান্তের হার বেশি থাকলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউয়ে গ্রাম পর্যায়ের মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি। পপুলার বিডিনিউজকে এমনটাই জানিয়েছেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এসএম শোয়েব আহাম্মেদ চিশতী।
করোনায় লকডাউনের শর্তাবলী মেনে চলা এবং প্রয়োজনে বের হলে মাস্ক পরাই এখন স্বাস্থ্য রক্ষায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।


























