
কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালে এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
খালেদা জিয়ার আইনজীরা জানান, অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় বেগম খালেদা জিয়াসহ ৮ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। দুদকের কর্মকর্তাদের ব্যবহার করে দীর্ঘ ১৬ বছরের বেশি সময় ধরে মামলা দিয়ে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করেছেন শেখ হাসিনা। দুদকের তৎকালীন কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
এরআগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দুদক ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে বিচারক রবিউল আলমের আদালত রায় ঘোষণার দিন ১৯ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেন। ওই দিন আদালতে খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে শুনানি করেন তাঁর আইনজীবী আমিনুল ইসলাম। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ৬৮ সাক্ষীর মধ্যে ৩৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। গত ৫ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেন।


২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলা করে দুদক। মামলা তদন্তের পর ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। গত বছরের ১৯ মার্চ একই আদালত খালেদা জিয়াসহ ৮ আসামির অব্যাহতির আদালত নাকচ করে চার্জগঠন করেন।
এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দীন সিদ্দিকী, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউসুফ হোসাইন, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ও বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম।
Y/N






























