১২ বার মৃত্যুর গুজব, কিসের শত্রুতা জানতে চাইলেন এটিএম শামসুজ্জামান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ মে ১৫, ২০২০ | ১০:২২
ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ মে ১৫, ২০২০ | ১০:২২
Link Copied!

#পপুলার বিডিনিউজ ডেস্ক

প্রায় ১২ বার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছে অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের। অথচ তিনি  সুস্থ আছেন। তিনি স্বাভাবিক খাওয়াদাওয়া করছেন। বসা থেকে উঠতে পারছেন। কারও সহযোগিতা ছাড়াই চলাফেরা করছেন।

শুক্রবার রাতে তিনি বললেন, ‘মরিনি এখনো। এর আগেও ১২ বার আমার মৃত্যুর খবর ছড়িয়েছে। কেন যে এ রকম করে বুঝি না। আমার সঙ্গে কিসের শক্রতা, বুঝি না। আল্লাহ এদের হেদায়েত দান করুন।’

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার সন্ধ্যার পর হঠাৎ খবর রটে যায়, বাংলাদেশের গুণী অভিনয়শিল্পী এ টি এম শামসুজ্জামান মারা গেছেন। ফেসবুকে অনেকে তাঁর ছবি দিয়ে প্রচার করেন খবরটি । এতে এ টি এম শামসুজ্জামানের ভক্তরা মর্মাহত হন। এদিকে খবর নিয়ে জানা যায়, এ টি এম শামসুজ্জামান সুস্থ আছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর যখন রটে যায়, তখন তিনি সুত্রাপুরের বাসায় ছিলেন। নিজের মৃত্যুর খবর শোনার পর এ টি এম শামসুজ্জামান বিরক্তি আর ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এ টি এম শামসুজ্জামানের স্ত্রী রুনি জামান বলেন, ‘সন্ধ্যার পর হঠাৎ চারদিক থেকে ফোন আসা শুরু হয়। সবাই জানতে চাইছে, এ টি এম শামসুজ্জামান সাহেব কখন মারা গেছেন। আমরা রীতিমতো অবাক, দেশের এই দুর্যোগের সময় একটা জলজ্যান্ত মানুষকে এভাবে মেরে ফেলতে পারে!’

রুনি জামান বলেন, এটা সত্য যে মাঝে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন এ টি এম শামসুজ্জামান। মাঝে নানা দফায় পুরান ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। গেল বছরের এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহের এক রাতে বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন এ টি এম শামসুজ্জামান। সেদিনও খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। সেই রাতে তাঁকে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ টি এম শামসুজ্জামানের অন্ত্রে প্যাঁচ লেগেছিল। সেখান থেকে আন্ত্রিক প্রতিবন্ধকতা। এর ফলে খাবার, তরল, পাকস্থলীর অ্যাসিড বা গ্যাস বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং অন্ত্রের ওপর চাপ বেড়ে যায়। ফলে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁর দেহে অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর কিছু শারীরিক জটিলতা হয়। টানা ৫০ দিন এই হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ১৫ জুন তাঁকে শাহবাগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়। কিছুদিন সেখানে ছিলেন। গেল বছর ঈদও কেটেছে হাসপাতালের কেবিনে। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাঁকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আবারও কয়েকবার তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে অবস্থার উন্নতি হলে তাঁরা আবার সুত্রাপুরের নিজের বাড়ি ফিরে যান। আপাতত সেখানেই আছেন। আজও তিনি বাড়িতে সুস্থ, স্বাভাবিক আছেন।

বিজ্ঞাপন

এ টি এম শামসুজ্জামান বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা, পরিচালক, কাহিনিকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার। অভিনয়ের জন্য কয়েকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক।

নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে এ টি এম শামসুজ্জামান ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার ভোলাকোটের বড়বাড়ি আর ঢাকায় থাকতেন দেবেন্দ্র নাথ দাস লেনে।

 

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

ট্যাগ:

শীর্ষ সংবাদ:
হাজীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কামরুলের মৃত্যু সৈয়্যদ আহমদ সিরিকোটি (রাহ.)’র ৬৫ তম ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ওরস মোবারক ও মাহফিল হজ্ব যাত্রীদের জন্য বাবুরহাটে সানমুন ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেলস্ এর আলোচনা ও দোয়া রেমালের তাণ্ডব, কুয়াকাটায় একজনের মৃত্যু ঘণ্টায় ১৩ কিলোমিটার গতিতে এগোচ্ছে রেমাল, আঘাত রাতে হাজীগঞ্জের মিতু হত্যা মামলায় আসামীর মৃত্যুদন্ড আঘাত হানতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ উপকূলের নদ-নদীতে বেড়েছে পানি, তলিয়ে গেছে সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় রেমাল : স্কুল বন্ধ থাকা নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী টেন্ডার ছাড়া স্কুলের রড বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক কচুয়ায় চোরাইকৃত অটোরিক্সা’সহ গ্রেফতার চার চাঁদপুরে দালালের খপ্পরে পড়ে কিরগিস্তান, এখন দেশে আসার আকুতি চাঁদপুর থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ দৈনিক আদি বাংলা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এমরান হোসেন রাজন চাঁদপুরে রেমাল মোকাবেলায় সতর্কতায় নৌ-পুলিশ মেঘনায় নিষিদ্ধ জালে মাছ ধরায় ৫ জেলে আটক গলায় ফাঁস দিয়ে রুয়েট শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা অনলাইনে ইলিশ ক্রয়ে প্রতারক হতে সাবধান! ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, সংকেত বাড়লেও এখনো শান্ত উপকূল উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ