
আবারও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে

গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্থানীয় হরিজন সম্প্রদায়ের দুজনসহ মোট তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
তবে অভিযোগ উঠেছে, যাদের আটক করা হয়েছে, তারা নিরপরাধ। মূলত প্রভাবশালী প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতেই নিরীহদের গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী ধর্ষণ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ যেহেতু তাদের হাতে রয়েছে, সেহেতু এর সহায়তায় প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
সমাজে সাধারণত যেসব অন্যায়-অপকর্ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটে, তার মধ্যে নিকৃষ্ট ও ঘৃণ্য হচ্ছে ধর্ষণ। দেখা যাচ্ছে, দেশে ছয় মাস বয়সি শিশু থেকে শুরু করে কিশোরী, তরুণী, এমনকি মধ্যবয়সী নারীও ধর্ষকের হাত থেকে নিস্তার পাচ্ছে না। কিছুদিন পরপরই এখানে-ওখানে, ঘরে-বাইরে, বাসে, রাস্তায়, স্কুল-কলেজে, মাদ্রাসায় ও কর্মস্থলে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, যা রোধ করা জরুরি।


নারী নির্যাতন রোধে বিভিন্ন আইন ও তাতে শাস্তির বিধান থাকলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব, নৈতিক স্খলন ও সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে নারীর ওপর সহিংসতা বাড়ছেই। আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে অপরাধের মাত্রা কমে আসবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
বশেমুরবিপ্রবির ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের কোনো ধরনের সামাজিক বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে অপরাধী হিসাবে যথাযথ বিচারের সম্মুখীন করা জরুরি। তা না হলে সরকার ও প্রশাসন সম্পর্কে দেশবাসীর কাছে ভুল বার্তা যাবে।
সূত্র: যুগান্তর
E/N



























