
চায়ের দোকানের টেলিভিশন চালু করায় সাত বছরের শিশুকে হত্যা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চায়ের দোকানের টেলিভিশন চালু (অন) করায় হামিম নামে সাত বছরের এক শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের দাঁড়িপাতা গ্রামের একটি ফসলের ক্ষেত থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হামিম দাঁড়িপাতা গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে। এ ঘটনায় মুখলেসুর রহমান নামের ওই চা দোকানদারসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে চা দোকানদারের স্ত্রীও রয়েছে। মুখলেস প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকাল থেকে হামিম নিখোঁজ ছিল। কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ এলাকার বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার সকালে এলাকার আলমাস মৌলভির আমবাগানের (খেসারি ডাল) খেত থেকে হামিমের লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।


গোমস্তাপুর থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব আলম খান জানান, হামিমদের বাড়ির পাশে মুখলেসুর রহামানের চায়ের দোকান। সোমবার সকালে হামিম সেখানে যায় এবং চায়ের দোকানে থাকা টেলিভিশন রিমোটের মাধ্যমে চালু করে। মুখলেস তাকে টেলিভিশন বন্ধ করতে বললে সে বন্ধ করে দেয়। কিছুক্ষণ পর হামিম আবারও টেলিভিশন চালু করলে মুখলেস ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর এবং গলা চেপে ধরে। এতে হামিম মারা যায়। পরে রাত ৯টার দিকে মুখলেস শিশুটির লাশ পার্শ্ববর্তী ফসলের ক্ষেতে ফেলে রাখে।




























