চলে গেলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ মে ১৪, ২০২০ | ১:০২
ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ মে ১৪, ২০২০ | ১:০২
Link Copied!
  1. #পপুলার বিডিনিউজ রিপোর্ট

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।

আনিসুজ্জামানের ছেলে আনন্দ জামান বলেন,  বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

পপুলার বিডিনিউজ ডটকম এর পক্ষ থেকে এই জ্ঞানতাপসের মৃত্যুতে জানাই শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা।

অসুস্থ হলে জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতাল থেকে গত শনিবার ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি আজ বিকেলে মারা যান। ড. আনিসুজ্জামানের পরিবারের সদস্যরা জানান, অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৭ এপ্রিল বরেণ্য এই শিক্ষাবিদকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর হার্ট, কিডনি, ফুসফুস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা শারীরিক জটিলতা ছিল। এর আগেও গত মাসের প্রথম সপ্তাহে একবার তিনি আরেকটি হাসপাতালে ভর্তি হন।

আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, অবিভক্ত ভারতের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে। তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষক। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে গিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

বিজ্ঞাপন

আনিসুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি ভাষা আন্দোলন (১৯৫২), ঊনসত্তরের গণ–অভ্যুত্থান (১৯৬৯) ও ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তাঁর গবেষণা সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।

আনিসুজ্জামান শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য একাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন। প্রবন্ধ গবেষণায় অবদানের জন্য ১৯৭০ সালে তিনি বাংলা একাডেমি থেকে প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। শিক্ষায় অবদানের জন্য তাঁকে ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে ভারত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদক প্রদান করা হয়। সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তাঁকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এ ছাড়া তিনি ১৯৯৩ ও ২০১৭ সালে দুবার আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃক প্রদত্ত আনন্দ পুরস্কার, ২০০৫ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি লিট ডিগ্রি এবং ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন। ২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

ট্যাগ:

শীর্ষ সংবাদ:
ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলাচল শুরু ঈদে ট্রাফিক শৃঙ্খলা-যানজট এড়াতে ২২ দফা নির্দেশনা পুলিশের বছরে দশ হাজার বেকারকে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন কুয়েতে ভবনে ভয়াবহ আগুন, নিহত অন্তত ৩৯ চাঁদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, অটোরিকশা চালক নিহত প্রেমের বিয়ে, ইতালি যাওয়া স্ত্রী’র পরকীয়া মানতে পারেনি ইসমাইল মা-বাবাকে একসাথে হারালো ‘জমজ তিন সন্তান’ হাজীগঞ্জের সিএনজি পিকআপ সংঘর্ষে চারজন আহত জমে উঠছে মতলব উত্তরের কোরবানির পশুর হাট চাঁদপুরে ২৮ ধরণের দেশীয় ফল নিয়ে পুলিশের গ্রীষ্মকালীন উৎসব চাঁদপুরে বিক্রয় প্রতিনিধিকে অজ্ঞান করে টাকা ছিনতাই মতলব দক্ষিণ পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু ১৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজারগাঁও বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হাইমচরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গর্ভবতী নারী ও শাশুড়িকে পিটিয়ে রক্তাক্ত হাজীগঞ্জে বালুবাহী পিকআপ ও সিএনজি সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন নিহত, এতিম হয়ে গেল তিন সন্তান জব্দ হওয়া হাজারো যানবাহন খোলা আকাশের নিচে, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার ঈদের আগেই প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে উঠছে ১৮ হাজার পরিবার চাঁদপুরের পশুর হাট: আলোচনায় ফরিদগঞ্জের ১৫ লাখ টাকার ‘জায়েদ খান’ মতলবে ঈদ সামনে রেখে গরুকে খাওয়ানো হচ্ছে নিষিদ্ধ ওষুধ