
অসহিষ্ণুতায় অনেক ছোট ঘটনা বড় রূপ পায়

করোনা মহামারির কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়। ১২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা খুলতে লেগে যায় আরও প্রায় এক মাস। দীর্ঘ বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৃষ্টি হয়েছে সেশনজট। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে যখন তোড়জোড় চলছে, তখন বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছোট-বড় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে চলেছে।
এমনকি কোথাও সচল হওয়ার আগে থেকেই শুরু হয় এই পরিস্থিতি। এসব কারণে এখন পর্যন্ত দুটি বিশ্ববিদ্যালয়, একটি মেডিকেল কলেজ ও একটি কলেজের ছাত্রাবাস বন্ধ করতে হয়েছে। দেখা গেছে অনেক ছোট ঘটনা অসহিষ্ণুতায় বড় আকার ধারণ করে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) এগুলোর একটি। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল। উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে বুধবার আমরণ অনশনে গেছেন তারা।
দেশে বর্তমানে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে অর্ধশত, আর বেসরকারি শতাধিক। সাধারণ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আর কলেজের অস্থিরতা আলোচনায় আসে। গত ৫ মাসের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যকার মারামারি আর সংঘর্ষের ঘটনায় এই সময়ে সবচেয়ে বেশি খবরের শিরোনাম হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। বিভিন্ন হলের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অন্তত ১২ বার সংঘর্ষ হয়েছে।


তবে বেশি আলোচনায় এসেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় (রবি)। এগুলোর মধ্যে চমেকে ছাত্রলীগের এক গ্রুপের হাতে আরেক গ্রুপের এক কর্মী নির্মম পিটুনির শিকার হন। তার মাথার খুলি কেটে পেটের চামড়ার নিচে রেখে চিকিৎসা করতে হয়েছিল। কুয়েটে একটি হলের প্রভোস্টকে মানসিক নির্যাতনের পর তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
সূত্র: যুগান্তর
E/N



























