
বাঁশবাগানে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব, উদ্ধার করল পুলিশ


বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বাঁশবাগানের ভেতর জন্ম নেওয়া এক নবজাতকসহ মানসিক প্রতিবন্ধী প্রসূতিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোর চারটার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বথুয়াবাড়ি গ্রামের আবদুর রশিদ নামের এক ব্যক্তির বাড়ির পাশের বাঁশবাগানে সন্তান প্রসব করেন ওই নারী।
খবর পেয়ে সকাল নয়টার দিকে বাঁশবাগান থেকে তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। প্রসূতি ও নবজাতক বর্তমানে সুস্থ আছেন। মানসিক প্রতিবন্ধী ওই নারী নিজের ঠিকানা বা পরিচয় বলতে পারছেন না।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চার দিন আগে পরিচয়হীন ওই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অন্তঃসত্ত্বা (আনুমানিক ৩৫ বছর) নারী বথুয়াবাড়ি গ্রামে আসেন। সারা দিন গ্রামটির বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে কৃষক আবদুর রশিদের বাড়ির পাশে বাঁশবাগানের ভেতর অবস্থান নেন। শনিবার ভোর চারটার দিকে সেই বাঁশবাগানের ভেতর তাঁর গর্ভ থেকে জন্ম হয় ফুটফুটে পুত্রসন্তান।


জন্মের পর স্থানীয় অনেকে ওই নবজাতককে দত্তক নেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু রাজি হননি ওই নারী। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে টানাটানি শুরু হয়। একপর্যায়ে খবর পেয়ে সকাল নয়টার দিকে পুলিশ মা ও তাঁর সন্তানকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়।
আবদুর রশিদ জানান, চার দিন ধরে ওই নারী রাতের বেলায় তাঁর বাড়ির পাশে বাঁশবাগানের ভেতর থাকতেন। তাঁর বাড়ির ঠিকানা বলতে পারেন না। তবে তাঁর নাম মরজিনা বলে জানান। এ অবস্থায় বাঁশবাগানের ভেতর সন্তান জন্ম দেন। শিয়াল–কুকুরের ভয়ে পাহারা দেওয়া হয়েছে। পরে বাচ্চাটি নেওয়ার জন্য লোকজন টানাহেঁচড়া করায় পুলিশকে জানানো হয়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, উদ্ধার করা নারী ও তাঁর সন্তানের পরিচয় জানার চেষ্টা করা চলছে। পরিচয় পাওয়া না গেলে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
E/N



























