
ধর্ষণের পর হত্যার মামলা, পাঁচ বছর পর কিশোরী উদ্ধার


পাঁচ বছর আগে ঢাকার ভাটারা এলাকায় এক কিশোরী গৃহকর্মী হিসেবে কাজে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন তার এক স্বজন। এরপর মামলাটি থানা–পুলিশ ঘুরে যায় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। তিন বছর তদন্ত শেষে মেয়েটির কোনো হদিস না দিয়েই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় ডিবি। কয়েক মাস আগে এ মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক মাসুদ খান প্রথম আলোকে বলেন, এত দিন ওই কিশোরীকে যৌনকর্মে বাধ্য করেছিল একটি চক্র। যে বাসায় সে কাজে গিয়েছিল, তারাই এটা করেছে। এ কাজে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার বাদী মেয়েটির খালাও সহায়তা করেছেন বলে তাদের সন্দেহ।
এ ঘটনায় মেয়েটিকে নির্যাতনে জড়িত অভিযোগে তার গৃহকর্তা, গৃহকর্ত্রীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় মেয়েটির খালা বাসনা বেগমকেও খোঁজা হচ্ছে বলে তদন্ত–সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


ওই কিশোরীর আইনজীবী আবদুর রহমান খান প্রথম আলোকে বলেন, গোপালগঞ্জের ওই কিশোরী আদৌ ধর্ষণের পর খুনের শিকার হয়নি। তার খালা বাসনা বেগম এই মামলা করেছিলেন। পুলিশের তদন্তে যা সত্য, তা বের হয়ে এসেছে। ওই কিশোরীকে দিনের পর দিন আটকে রেখে যৌনকর্মে বাধ্য করেন আসামিরা। কিশোরী এখন তার মায়ের জিম্মায় আছে।
সূত্র: প্রথম আলো
E/N



























