
পদ্মাপাড়ে রাসেল ভাইপারের উপদ্রব


পদ্মা নদীরপাড়ে বাড়ছে সাপের উপদ্রব। এসবের মধ্যে রয়েছে বিষধর রাসেল ভাইপারও। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। ঘরে ও উঠান থেকে শুরু করে সড়কেও দেখা যায় নানান প্রজাতির বিষধর সাপ। বাড়ির আঙিনা ও আশপাশে বিষধর সাপের আনাগোনা হওয়ায় সাপের কামড়ে হতাহতের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। অবাধে বিচরণ করতে দেখা যায় এসব সাপের।
সাপের কামড়ে অসুস্থ হয়ে শেষপর্যন্ত মৃত্যুর মুখে পতিত হন অনেক। অথচ সাপের দংশনে রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপে কাটা রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা নেই। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষোভ জানিয়েছেন।
জানা যায়, সাপে কাটা রোগী শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বিভাগীয় কিংবা জেলা শহরে পাঠানো হয়। এ অবস্থায় সময়ক্ষেপণের কারণে অনেক সময় রোগী পথিমধ্যে মারা যান। আবার কবিরাজ ওঝাঁর শরণাপন্ন হয়ে অনেকে অপচিকিৎসার শিকার হন।


ধারণা করা হচ্ছে, ভারত থেকে পদ্মায় ভেসে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বিষধর এসব সাপ। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিদিন বাড়ির উঠান বা মাছধরার জালে ধরা পড়ছে নাম না জানা সাপসহ বিষধর রাসেল ভাইপার।
পদ্মা তীরবর্তী এলাকার তোফিকুর রহমান বলেন, বর্ষাকাল এলে সাপের উপদ্রব বাড়ে। সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা থাকার পরও প্রয়োজনীয় ওষুধ শিবগঞ্জে না থাকায় আমরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।
সূত্র: যুগান্তর
H/N



























