
শহীদদের স্মরণে বিএমজিটিএ’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
Link Copied Successfully!

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির আয়োজনে সোমবার (২৩ আগস্ট ২০২১ খ্রিঃ) রাত ৯ টায় এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ জহির উদ্দিন হাওলাদারের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালী যুক্ত ছিলেন গাইবান্ধা-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক জনাব এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি।
সংগঠনের মহাসচিব মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি বলেন, একাত্তরে পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ, ৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির জনককে হত্যা, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই ধারাবাহিকতা। বাংলাদেশকে মেধা আর নেতৃত্ব শূন্য করাই তাদের মূল লক্ষ্য ছিল। এখন আপনাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আগামীর দেশ কিভাবে চলবে, কিভাবে মঙ্গল হবে। আমরা বাংলার মাটিতে আর কোন যুদ্ধাপরাধীর গাড়ীতে লাল সবুজের পতাকা দেখতে চাই না।
তিনি ষড়যন্ত্রকারিদের উদ্দেশ্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা কৃষক রত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা অবশ্যই এই সব হামলার সাথে জড়িত কুশীলবদেরকে আইনের আওতায় এনে বাংলার ইতিহাসকে কলংঙ্কমুক্ত করবেন ইনশাল্লাহ।
এছাড়াও তিনি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানোর জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টের শহীদদের স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করায় বিএমজিটিএ’র নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি জেনারেল শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবীসমূহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনারও আশ্বাস দেন তিনি।
এ সময় সংগঠনের সভাপতি জহির উদ্দিন হাওলাদার বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের শুভ সূচনা করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকার প্রায় ছয় শতাধিক এমপিওভূক্ত স্কুল/কলেজ জাতীয়করণ করেছেন কিন্তু একটি মাদ্রাসাও জাতীয়করণ করা হয়নি। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট মুজিববর্ষেই মাদ্রাসা জাতীয়করণের শুভ সূচনা করার দাবী জানাই।
আলোচনা শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শাহাদত বরণকারী ও ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন সংগঠনের সহ সভাপতি উপাধ্যক্ষ মুহা. জোহরুল ইসলাম।
ওই সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ফজলুল বারী বেলাল, ড. মোঃ মোখলেছুর রহমান, মোঃ শহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ড. মু. জাকির হোসেন, মোঃ আমির উদ্দিন, মোছাঃ মাহবুবা বেগম, এটিএম মাহাবুবুল আলম মজুমদার, মোঃ হোসনি মোবারক,হুমায়ুন কবির তালুকদার, মোঃ আকতার হোসেন, তাসলিমা মুন্নি, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মোঃ ওয়ালিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আতাউর রহমান, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, মাসুদা সুলতানা, মোঃ গোলাম মোস্তফা,, আলী নুর হোসেন বিপ্নব, আব্দুল হালিম, আব্দুস সোবহান, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শফিউল আজম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমজাদ হোসেন, মোঃ আঃ মান্নান লোটাস, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ আল-আমিন সরকার, নুরুল আমিন শিশির, অর্থ-সম্পাদক খোরশেদ কবির মাসুদ, দপ্তর সম্পাদক আরিফ ইমাম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোঃ নেকবর হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মন্ডল, গণ সংযোগ সম্পাদক মোঃ আব্দুল জলিল, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ আব্দুল মালেক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোস্তাক আহমেদ, মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, রিফাত হোসেন ইরানী, বাবু রজত কান্তি দাস, মাসুদ রানা, জাকির হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ মজিবুর রহমান সহ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ।




























