
হালাল উপার্জন করা ফরজ


সম্পদের প্রতি আকর্ষণ মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করে তার ভেতরে সম্পদের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করে দিয়েছেন। মানুষ তার জীবনের জন্য সম্পদ আহরণ করে। আর আল্লাহতায়ালাও মানুষের প্রয়োজনে সম্পদ বা রিজিক আহরণের আদেশ করেছেন।
আল্লাহতায়ালা বলেন-‘আর যখন নামাজ শেষ হয়ে যায়, তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে যাও এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (রিজিক) অন্বেষণ কর…’ (আল কুরআন ৬২:১০)
আরেক আয়াতে এসেছে-‘তিনিই তোমাদের জন্য জমিনকে সুগম করেছেন; অতএব, তোমরা এর কাঁধে বিচরণ কর এবং তার রিজিক হতে খাও।’ (আল কুরআন ৬৭:১৫) কুরআনে এসেছে, নবীরা কর্ম করে তাদের রোজগার করতেন। নবীরা তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য বিভিন্ন পেশা বেছে নিয়েছিলেন।


হজরত নুহ (আ.) কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। যে নৌকা দিয়ে তার প্রতি বিশ্বাসী লোকেরা মহাপ্লাবণ থেকে রক্ষা পেয়েছিল, তিনি নিজ হাতে সেই ঐতিহাসিক নৌকা বানিয়েছিলেন। হজরত দাউদ (আ.) লৌহকর্ম করতেন।
আল্লাহতায়ালা তার জন্য লোহাকে অনুগত করে দিয়েছিলেন। তিনি লোহা দিয়ে বর্ম ইত্যাদি তৈরি করতেন। হজরত জাকারিয়া (আ.) ও কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। আমাদের নবীও জীবিকার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পেশা বেছে নিয়েছেন।
তুলনাহীন সুমহান মর্যাদার অধিকারী হয়েও কখনো মক্কার উপত্তকায় ভেড়া-বকরি চরিয়েছেন। কখনো বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে দূর দেশে সফর করেছেন। কুরআন ও হাদিসে এসব কথা বিভিন্নভাবে এসেছে। এসব কিছুই আমাদের জন্য আদর্শ, করণীয়। এসব বর্ণনা আমাদের এ শিক্ষা দেয়-আমরা যেন নিজেরা কর্ম করে আমাদের রোজগার করি। আমরা যেন অন্যের ওপর বোঝা হয়ে না থাকি।
H/N




























