
পপুলার বিডিনিউজে সংবাদ প্রকাশের পর রাধা কৃষ্ণ দাসের দাহ হলো পৌর শ্মশানে


অবশেষে রাধা কৃষ্ণ দাসের দাহ হলো হাজীগঞ্জ পৌর শ্মশানে। পপুলার বিডিনিউজ ডটকমে সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পৌর শ্মশানে রাধা কৃষ্ণ দাসের দাহ করা হয়। বিষয়টি হাজীগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু রূহি দাস বণিক নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, হাজীগঞ্জ উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে দুই সনাতন ধর্মাবলম্বী পরোলোকগমন করেন। শুক্রবার রাতে নিজ বাসস্থানে তারা না ফেরার দেশে চলে যান।
করোনা আতঙ্কে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সৎকার কাজে এগিয়ে আসছে না । পরিবারবর্গরা পড়েছেন বিপাকে। বাধ্য হচ্ছেন মাটিতে সমাধি করতে।


মৃত দুজন হলেন হাজীগঞ্জ উপজেলার সেন্দ্রা গ্রামের রাধা কৃষ্ণ দাস ও হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী রঞ্জীব কুমার রায়।
জানতে চাইলে মৃত রাধা কৃষ্ণের ছেলে রিপন কৃষ্ণ পপুলার বিডিনিউজ ডটকমকে বলেন, আমার বাবা শুক্রবার রাত ১ টায় মারা যান। আজ শনিবার হাসপাতালে নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাবা না ফেরার দেশে চলে যান। তার মৃত্যুর পর সৎকার কাজে কেউ এগিয়ে আসছে না।
অন্যদিকে হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী রঞ্জিব কুমার রায়ের মৃতদেহ হাজিগঞ্জ পৌর শ্মশানে নেয়া হলে ফেরত পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর ৫নং ওয়ার্ডের শ্মশান কমিটির সদস্য সঞ্জু সাহা মুঠোফোনে জানান, আমাদের শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে আসা হলে আমাদের কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেরত পাঠানো হয়। এখন তাকে তার বাড়িতে সমাধি করা হবে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু রূহি দাস বণিক বলেন, সমাধি করতে না দেয়াটা দুঃখজনক। তাদের দাহ করতে চাপ প্রয়োগ করা হলে কমিটি রাজি হয়।
অপরদিকে হাজীগঞ্জ উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক আজ শনিবার একটি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। তারা আগামী কাল থেকে দাফন কাজে অংশ গ্রহন করতে পারবে বলেও জানান।

























