
গুমোট হাওয়ার মাঝে কিছুটা স্বস্তির প্রত্যাশা


হাজীগঞ্জে একদিনে ৪ মৃত্যু। মঙ্গলবার ভোর হতে লকডাউন আশঙ্কার গুমোট হাওয়ার মাঝে কিছুটা স্বস্তির প্রত্যাশা।
২ জুন থেকে ১০ জুন’২০ পর্যন্ত ৯ দিন হাজীগঞ্জ বাজার লকডাউন। আজ (১ জুন ২০২০) সোমাবার বিকেলে ঐতিহাসিক হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ প্রাঙ্গনে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পুলিশ প্রশাসন, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে সমন্বয় সভায় সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
হাজীগঞ্জে করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়া ও রোববার ৮ ঘণ্টার ব্যবধানে ৪ জনের মৃত্যুর পর নীতিনির্ধারকেরা জরুরি ভিত্তিতে প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে লকডাউন শতভাগ কার্যকর করতে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন।


ব্যবসায়ীগণ অভিমত দিয়েছেন, জীবিকার চেয়ে জীবন আগে বাঁচাতে হবে। তাঁরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগামী ৯ দিন বন্ধ রাখার পক্ষে স্বতঃস্ফূর্ত মতামত ব্যক্ত করেন।

নেতৃবৃন্দ সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে লকডাউন শতভাগ কার্যকর করে গোটা দেশের মধ্যে হাজীগঞ্জকে একটি মডেল হিসেবে রূপায়নের জন্যে আহবান জানান।
হাজীগঞ্জের সর্ব মহল এ পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। নীতিনির্ধারকদের এমন সমন্বিত উদ্যোগ শুরুতেই নেয়া হলে পূর্বে সরকার ঘোষিত লকডাউন সফল করা সম্ভব হতো বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন। এতে ঝুঁকি আরো হ্রাস পেতো।
সরকার ১ জুন থেকে সারাদেশে লকডাউন শিথিল করলেও বাস্তবতার নিরিখে ও সময়ের প্রয়োজনে হাজীগঞ্জে মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে প্রকৃত অর্থে লকডাউন কার্যকর হতে যাচ্ছে। এতে আশঙ্কার গুমোট হাওয়ার মাঝে কিছুটা স্বস্তির পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন হাজীগঞ্জবাসী।
আমাদের শহর আমাদেরই নিরাপদ রাখতে হবে। প্রয়োজন আন্তরিকতা, ধৈর্য্য ও সমন্বয়।
ঐতিহাসিক এই সমন্বয় সভায় উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন সম্মানিত উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, এডিশনাল এসপি হাজীগঞ্জ সার্কেল, ওসি(তদন্ত) হাজীগঞ্জ, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ অপরাপর রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি প্রমুখ।

























